ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটার ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী রাশেদ খান।
বুধবার কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ-পিরিচ প্রতীক) সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থকরা তার নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষের সমর্থক এবং হিন্দু ভোটারদের ওপর পরিকল্পিত ভাবে হামলা, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বাড়িছাড়া করার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের হরদেবপুর গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি পরিবারের ওপর হামলা ও হুমকি প্রদান করা হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। হামলার শিকার হরদেবপুর গ্রামের সন্তু দাসের স্ত্রী নীলি দাশ ও অশোক দাসের স্ত্রী ঝুমা দাশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। লিখিত আবেদনে রাশেদ খান অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলাপুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি কুচক্রীমহল এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজোয়ানা নাহিদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আমার নিকট এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আমি ভিডিও ফুটেজ দেখেছি, ঘটনাস্থলে এক্সিটিউভ ম্যাজিট্রেডসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

