যশোর শহরের একটি গোডাউন থেকে আমেরিকার তৈরি ৭৭টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহাইব হাসান আকন্দের নেতৃত্বে একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মোটরসাইকেলগুলোর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।
অভিযানে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ওসি (তদন্ত) সুজন কুমারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোটরসাইকেলগুলো রাখা ছিল শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ২৪২ নম্বর বাড়িতে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের একটি সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে একই গোডাউনে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছিল। সে সময় তিনদিনের সময় নেওয়া হয়। সর্বশেষ রোববার ফের অভিযান চালানো হলে দেখা যায়, গোডাউনে আমেরিকান ইউএন কোম্পানির মোট ৭৭টি নতুন মোটরসাইকেল রাখা রয়েছে।
তবে গোডাউন মালিক হাফিজুর রহমান শিলু মোটরসাইকেলগুলোর রেজিস্ট্রেশন, আমদানি সংক্রান্ত অনুমোদন বা অন্য কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
এদিকে, মোটরসাইকেলগুলোর মালিক হিসেবে পরিচিত আবু সাঈদ সাবু অসুস্থতার কথা বলে ঘটনাস্থলে আসেননি। পরে তিনি ১০ দিনের সময় প্রার্থনা করেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে গোডাউনটি সিলগালা করার নির্দেশ এবং মোটরসাইকেলগুলো জব্দ অবস্থায় সেখানেই রাখার সিদ্ধান্ত দেন। একই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হলে উদ্ধার মোটরসাইকেলগুলো সরকারের হেফাজতে নেওয়া হবে।
তবে প্রথম অভিযানের সময় আবু সাঈদ সাবু জানান, তিনি ও তার এক বন্ধু যৌথভাবে মোটরসাইকেলগুলো সিঙ্গাপুর দিয়ে আমদানি করেন। সেগুলোর কাগজপত্র তৈরি এবং ব্যবসা সংক্রান্ত সুবিধার কারণে যশোরে রাখা হয়। তার কাছে কিছু কাগজ ও তার বন্ধুর কাছে কিছু কাগজ আছে। সেগুলো দেখানোর সময় বেঁধে দিয়ে সেসময় আভিযানিক দল চলে যায়।
রোববার মোটরসাইকেলগুলোর সম্পূর্ণ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় সেগুলো ওই গোডাউনের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

