সুন্দরবনে অবৈধভাবে মধু সংগ্রহের অভিযোগে ১ হাজার কেজি মধুসহ ১১ মৌয়ালকে আটক করেছে বনবিভাগ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত দুটি নৌকাও জব্দ করা হয়।
শুক্রবার সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের টেংরাখালী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা পিনমারি খাল এলাকা থেকে তাদের আটক করেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা সবাই সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন, বানছার উদ্দীন গাজীর ছেলে মো. আমজাত হোসেন (৬৪), হাকিম শেখের ছেলে মো. কামরুল শেখ (৪৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে আল-আমিন (৪০), আছান হাবিব (৩৫), মো. রাব্বানী (৩৫), মো. হায়াত আলী গাজী (৫৫), মো. মোবারক শেখ (৩২), মো. বাবলু রহমান (৩০), মো. মনিরুল খাঁ (৩৮), মো. আবিয়ার মালী (৪৫) এবং মো. কবিরুল ইসলাম (৪৫)।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান বলেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে অবৈধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মধু সংগ্রহ শেষে ফেরার সময় টেংরাখালী টহল ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের আটক করেন।
তবে আটক মৌয়ালদের দাবি, বনবিভাগের কথিত দালাল জালাল মোল্লার সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করেই তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন।
এ অভিযোগের বিষয়ে এসিএফ মশিউর রহমান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আপনাদের কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে ১জুন থেকে টানা তিন মাসের জন্য বনভূমিতে পর্যটক, জেলে, মৌয়ালসহ সব ধরনের প্রবেশ এবং বনজ সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বনবিভাগ।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

