ভালুকায় বিদেশি ফল রাম্বুটান ও লংগান চাষে ভাগ্যবদল

ভালুকায় বিদেশি ফল রাম্বুটান ও লংগান চাষে ভাগ্যবদল

ময়মনসিংহের ভালুকায় বিদেশি ফল রাম্বুটান ও লংগান ফলের বাগান করে লাভবান হয়েছে মামুন ও আশরাফ উদ্দিন শুভ দুজন যুবক। বিদেশি ফল চাষ করে তারা এখন স্বাবলন্বী। এই দুটি ফলের চাষ করে ৮০ লাখ টাকা আয়ের আশা উদ্যোক্তার। শুধু ফল বিক্রিই নয়, বাগানটি এখন কৃষি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন বাগান দেখতে মানুষ ভিড় জমছে । এতে উদ্যোক্তারাও খুশি।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশি ফল হলেও রাম্বুটান ও লংগান বাংলাদেশের আবহাওয়ায় ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে রাম্বুটান একটি উচ্চমূল্যের ফল। এর স্বাদ ও সৌন্দর্যের কারণে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে লংগানও কম পরিচর্যায় ভালো ফলন দেয়। তাই বাণিজ্যিকভাবে এ দুই ফলের চাষের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ২০২০ সালে ২০ বিঘা জমির ওপর উপজেলার গোয়ারী গ্রামে থাইল্যান্ড থেকে রাম্বুটান ও লংগানের চারা এনে বাগান শুরু করেন। বাগানে ৩৫০টি রাম্বুটান লংগান গাছ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের লংগান, থাই কাটি মন, পেঁপেসহ দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফলের চাষ করছে তারা। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসছেন বাগান দেখতে, ফল কিনতে এবং চারা সংগ্রহ করতে। বাগানে গাছে গাছে লাল কাঁটাওয়ালা রাম্বুটানের থোকা, আবার গুচ্ছ গুচ্ছ সোনালি-বাদামি লংগান। দেখতে অনেকটা লিচুর মতো হলেও স্বাদে ভিন্ন এই দুই বিদেশি ফল এখন বদলে দিচ্ছে দুই উদ্যোক্তার ভাগ্যের গল্প।

বিজ্ঞাপন

ভালুকার কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা নূর জাহান জানান, উপজেলার কৃষি ব্লকের গোয়ারী গ্রাম আমার মধ্যে রয়েছে। বিদেশি ফল চাষ করে লাভবান উদ্যোক্তা আমরা কৃষি অফিস থেকে সবধরনের সহযোগিতা করে আসছি, ভালুকা ফল চাষের উপযোগী।

ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান জানান, ভালুকার এই বাগান প্রমাণ করছে, সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং নতুন কিছু করার সাহস থাকলে বাংলাদেশের মাটিতেও বিদেশি ফলের সফল চাষ সম্ভব।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন