নাটোরে মরিচ গুঁড়া মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে ঝলছে দেয়া নারীকে বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, শাহনাজ বেগমের অবস্থা বেশি গুরুতর হওয়ায় এবং তার পরিবার আর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারায় আমাদের সুনামধন্য সেনাবাহিনী খোজখবর নিযে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যায় ।
সেনা সূত্র জানায়, নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে এই নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার নাটোর সদরের রামনগর গ্রামের তৌহিদ উদ্দিনের ছেলে মো. সুলতান ডাকাত, তার ছেলে মো. লালচান, তার স্ত্রী মোছা. আয়মনা, একই এলাকার মোহনপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, তার স্ত্রী মোছা. শীলা খাতুন ও একই এলাকার পন্ডিতগ্রামের রতন মিয়ার স্ত্রী মোছা. শাকিদাকে গ্রেফতার করে নাটোর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।
এর আগে গত ২৬ জুন সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোহনপুর গ্রামের হালিমা খাতুন ও শাহনাজ বেগম নামের মধ্যবয়সী দুই নারীকে গরম পানির সাথে মরিচের গুঁড়ার মিশিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের মাথায় আঘাত করে গুরুতরভাবে আহতও করা হয়। এর মধ্যে শাহনাজ বেগমের অবস্থা বেশি গুরুতর হওয়ায় এবং তার পরিবার আর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারায় সেনা প্রধান ওয়াকারুজ্জামানের নিদের্শে নাটোর ক্যাম্পের সদস্যরা বিনা খরচে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। প্রয়োজনে তাকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলেও সেনা সদস্যরা জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

