মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনালী ব্যাংক পিএলসি বগুড়ার ধুনট শাখায় টাকা জমা দিতে এসে সোহেল রানা (২০) নামে আরো এক গ্রাহক ৭ হাজার টাকা খোয়ালেন। টাকা হারিয়ে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সোহেল রানা উপজেলার নলডাঙ্গা গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে। তিনি দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল রানা প্যান্টের পকেটে টাকা নিয়ে সোনালী ব্যাংক পিএলসি ধুনট শাখায় প্রবেশ করেন। এসময় জমা রশিদে ব্যাংকের হিসাব নম্বর লেখার পর প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে দেখেন তার ৭ হাজার টাকা নেই। সোহেল রানা দাবি করেন, ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ের ভেতর তার টাকা খোয়া গেছে। কেউ একজন পকেট থেকে ৭ হাজার তুলে নিয়েছেন অথবা অসাবধানতায় টাকাগুলো মেঝেতে পড়ে গেলে কেউ কুড়িয়ে নিয়ে গোপন করেছে।
উল্লেখ্য, এরআগে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সেতু পারভিন নামে কর্মজীবী এক গ্রাহক সোনালী ব্যাংক ধুনট শাখা থেকে কনজুমার ঋণের ৯০ হাজার টাকা তুলে নিজের ভ্যানিটি ব্যাগে সংরক্ষণ করেন। এরপর ব্যাংক থেকে বের হয়ে মাত্র ১০০ গজ দুরে শহরের ডাচ বাংলা ব্যাংকের (বুথ) সামনের রাস্তায় পৌঁছে দেখেন তার ব্যাগের ভেতর ৯০ হাজার টাকা নেই।
ধুনট থানার ডিউটি অফিসার এএসআই কুলছুমা খাতুন বলেন, নারী গ্রাহকের অভিযোগটি একজন কর্মকর্তা (এসআই) তদন্তের জন্য মাঠে নেমেছেন। এছাড়া পুরুষ গ্রাহক থানায় কোন অভিযোগ করেননি। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

