নাটোরের বড়াইগ্রামে কৃষক মোবারক হোসেনকে (৪০) শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে নারীসহ চার আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আসামিদের উপস্থিতিতেই এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৪ এর বিচারক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। রায়ে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকোরি গ্রামের আ. বারির ছেলে আসাদুল ইসলাম (৩৫), গুরুদাসপুর উপজেলার সোনাবাজু গ্রামের ইয়ারুল প্রামানিক ছেলে রশিদ প্রামানিক (৪২) একই এলাকার কাঁচুর খাঁ স্ত্রী আরিফা খাতুন (৩০) ও জিয়াউর রহমানের ছেলে জিহাদ আলী (৩৪)।
এজাহারের বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমীন তালুকদার টগর বলেন, বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকরি গ্রামের বেড়ী বিলে ২০২০ সালের ১৫ জুন বিকেলে পাট ক্ষেতের আইলে হাত পা বাধা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে তারা দ্রুত এসে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন মোবারক আলীর স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়াইগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলাম ঘটনার স্বাক্ষীদের তথ্য মতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসাদুল ইসলাম, রশিদ প্রামানিক, আরিফা খাতুন ও জিহাদকে আটক করেন। পরকীয়ার জেরে মোবারক হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করলে তাদের আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
মামলাটির দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষী গ্রহণ শেষে আদালত আসাদুল ইসলাম, রশিদ প্রামানিক, আরিফা খাতুন ও জিহাদ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে তিন বছর করে স্বশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বলে জানান, সরকারি ওই কৌঁসুলী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

