প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে এতো পাথর লুট হয়?

প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে এতো পাথর লুট হয়?

হাওর ও নদীরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি ওবায়দুল হক বলেন, ভোলাগঞ্জে সাদাপাথর রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে লুট করা হয়েছে। সংঘবদ্ধ লুট প্রায় দেড় মাস ধরে চলছে। প্রশাসন এতদিন নিরব ছিলো কেনো? পর্যটকদের অপার সম্ভাবনা আজ হারিয়ে গেছে। এতো এতো পাথর প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে লুট হয়? লুট হওয়ার পর পাথর ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যে পাথরগুলো বিক্রি হয়েছে তার কি হবে? রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রশাসনের লোকজন লুটের সাথে জড়িত। অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে হাওর ও নদীরক্ষা আন্দোলন আয়োজনে গণ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি। ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর লুটেরাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং টাঙ্গুয়ার হাওরেকেন্দ্রীক অপরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থার প্রতিবাদে এ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি একে আবু নাসার বলেন, সাদা পাথর লুট মানে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করা। রাজনৈতিক ঐক্যমতে লুট হওয়া পাথরের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। সাদাপাথরের প্রাণ প্রকৃতি বিনাশী ষড়যন্ত্রে প্রশাসনের লোকজনও জড়িত। এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেয়া হচ্ছে না।

হাওর ও নদীরক্ষা আন্দোলনের আহবায়ক ওবায়দুল হক এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক রাজু আহমেদ’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জন উদ্যোগের আহ্বায়ক রামেন্দ্র কুমার দে মিন্টু, সিপিবির সাবেক সভাপতি চিত্ত রঞ্জন তালুকদার, পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন সভাপতি একেএম আবু নাছার, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকার সম্পাদক পংকজ কান্তি দে, জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খলিল রহমান, জেলা উদীচীসহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সমাজ সেবক নুরুল হক, সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম মজনু, অ্যাড. দীপঙ্কর বনিক, জামালগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব তোফায়েল আহমেদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহমদ উসমান, ছাতক উপজেলার উজ্জীবক সুজন তালুকদার, রকিব রুবাইয়্যাত, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শফিউল আলম প্রমুখ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন