সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে আওয়ামী লীগের দোসর সিলেট সিটির ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ ও তার ভাই কামরান একই দিনে পাঁচটি মামলায় জামিন লাভে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে কুমারপাড়ার একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
লিখিত বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী বলেন, আমরা অবাক বিস্ময়ে দেখেছি এদেশের মানুষের ওপর জুলুমকারী পতিত স্বৈরাচারের দোসররা কিভাবে একদিনেই সবকটি মামলায় জামিন পেয়েছেন। আদালতে স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যক্ষ মদদ ছাড়া যা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আদালতের বিচারকরা তাদের মনগড়া জামিন দিচ্ছেন, যা হতাশাজনক।
তারা অভিযোগ করেন, আদালতে এখনো আগের সরকারের কিছু দোসর রয়ে গেছে, যারা এতো বছর বিচার ব্যবস্থাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, তাদের দোসররা এখনো সক্রিয় রয়েছে।
উল্লেখ্য গত ৩০ জানুয়ারি সিলেটের অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে একসাথে ৫টি মামলায় জামিন পান সাবেক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমেদ এবং তার ভাই কামরান আহমদ।
সংবাদ সম্মেলনে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আইনজীবীদের সাথে আলাপ করে আমরা জানতে পারি যে, উক্ত আদালতের জামিন দেয়ার কোন এখিতিয়ার ছিল না। তা সত্তে¡ও একই আদালত থেকে ৫টি মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্টত বোঝা যায় পতিত স্বৈরাচারের দোসররা এখনো সিলেটের আদালতসহ বিভিন্ন জায়গায় বহাল তবিয়তে আছে। ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিজমের দোসরদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি রয়েছে। তারা যদি ভবিষ্যতে আইন অঙ্গন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তাহলে জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা তা প্রতিহত করবো।
সংবাদ সম্মেলনের জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

