সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, একটি কিশোর গ্যাং এই হামলা চালায়।
এ সময় পুলিশের ওপর হামলারও ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের নায়েক শুভাশীষ, হাসপাতালের স্টাফ মিন্টু ও এক নার্স আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই সহোদরসহ কিশোর গ্যাংয়ের তিনজনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলো জকিগঞ্জ উপজেলার শাহজালালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে, বর্তমানে নগরীর মীরবক্সটুলা ভাই ভাই রেস্টুরেন্টের কর্মচারী গিয়াস উদ্দিন রানা, তার সহোদর মোস্তাক হোসেন ও একই রেস্তোরাঁর কর্মচারী জকিগঞ্জের আব্দুল আহাদের ছেলে আব্দুর রহিম (২২)।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ৮টার দিকে নগরের মীরবক্সটুলায় দোকানে বসে চা পান করছিলেন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের দুই ব্রাদার্স। পাশেই সিগারেট খেয়ে ধোঁয়া ছাড়ছিল রেস্টুরেন্টের স্টাফরা। সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে নিষেধ করা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রেস্টুরেন্ট থেকে হাতুড়ি, রড নিয়ে ১০-১২ জন কিশোর এসে হামলা করে। আহত অবস্থায় তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে জরুরি বিভাগে এলে সেখানে এসেও হামলা করা হয়।
এ সময় তারা নার্সদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে। আহতরা নার্স ও চিকিৎসকের সংরক্ষিত কেবিনে গিয়ে আশ্রয় নিলে চেয়ার তুলে আঘাত করে হামলাকারীরা। তাৎক্ষণিক হাসপাতালের ক্যাম্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তাদেরও আঘাত করা হয়। পরে আরো পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে তিনজনকে আটক করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়।
হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পলাশ চন্দ্ৰ দাস বলেন, হামলাকারীরা কিশোর গ্যাং সদস্য। তাদের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা পালিয়ে গেছে।
তিনি জানান, সিগারেট খাওয়ার পর ধোঁয়া ছাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

