আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির এহতেশাম

সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন বাতিলে ‘বৈষম্য’ হয়েছে

সিলেট ব্যুরো

সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন বাতিলে ‘বৈষম্য’ হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে সিলেট-১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী এহতেশামুল হক তার মনোনয়ন বাতিলের ঘটনাকে ‘বৈষম্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়ে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

মঙ্গলবার সিলেট প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। প্রশাসন গুলশানমুখী হয়ে পড়েছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বড় দলের বড় নেতার নাগরিকত্ব নিয়ে মিডিয়া প্রশ্ন তোলে না। প্রশাসন তা খুঁজে দেখে না কেন?

বিজ্ঞাপন

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা যখন অনুসন্ধান করেছেন তখন সারওয়ার আলম বলেছেন—এমএ মালেকের নাগরিকত্ব বাতিলের সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে, তাই ভেরিফিকেশান আর কিছু নেই। তিনি তার আবেদনের কপিও দিয়েছেন। সেই আবেদনপত্র তিনি চাইলে দশজনের কাছ থেকে সার্টিফাইড করাতে পারেন, আবার আমি চাইলে পাঁচজনের কাছ থেকে করাতে পারি বা নাও করতে পারি। আইনের দৃষ্টিতে দুটিই আবেদনপত্র।

আমার আবেদনপত্র গৃহীত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে পারে একমাত্র হোম অফিস। সে ক্ষেত্রে এমএ মালেকের বিষয়ে বলা হয়েছে হোম অফিস বন্ধ ছিল, আর আমার ক্ষেত্রে কী হয়েছে, সেটাও আপনাদের কাছে পরিষ্কার।

এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এহতেশামুল হক যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রামাণ্য কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। যদিও তার হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে, তিনি গত ২২ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সারওয়ার আলম বলেন, এ অভিযোগের ভিত্তি নেই। কারণ, এমএ মালেক হোম অফিসের সার্টিফিকেট আমাদের কাছে জমা দিয়েছেন। গত রোববার হোম অফিস বন্ধ ছিল, আবার যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন ছিল। তাই আমরা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করি। তবে ইতোমধ্যে আমরা হাইকমিশনে চিঠি পাঠিয়েছি। অন্যদিকে এনসিপি প্রার্থী এহতেশামুল হক আমাদের কাছে কোনো সার্টিফিকেটই জমা দিতে পারেননি। তাই তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখানে কোথাও কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয়নি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন