হঠাৎ আদার দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। অন্যদিকে ঝাঁজ কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি আদার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকায় এবং চায়না আদা কেজি ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু আদা নয়, বেড়েছে রসুনের দামও। দেশি রসুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে মানভেদে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় এবং চায়না রসুন ২০ টাকা বেড়ে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ দেশি পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রির পর চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কেজিতে ৫ টাকা কমেছে।
রোববার দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৫০ থেকে ৬৫টাকায় বিক্রি হয়েছে। দেশি পেঁয়াজের মধ্যে পাবনার পেঁয়াজের দাম সবচেয়ে বেশি ৬৫ টাকা। রাজশাহীর পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং ফরিদপুরের পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আমদানি করা ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ উচ্চ দামেই কেজি প্রতি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচ সর্বোচ্চ ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও রবিবার বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০টাকা কেজি। এতে কেজিতে কমেছে অন্তত ৫০টাকার মতো। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েকদিনে সারাদেশে বৃষ্টি হওয়ায় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বেড়েছে। রবিবার নয়াবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
নয়াবাজারে এরফান আলী নামের এক ক্রেতা বলেন, এক কেজি কাঁচা মরিচ কিনেছি ৫০ টাকা। হাইব্রিড জাতের মরিচের দাম আরো কম। অথচ গত সপ্তাহেও ৮০ থেকে ১০০ টাকায় কিনতে হয়েছে।
কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, আদার দাম আপাতত ২০ টাকা বাড়লেও সামনে কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে আরো বাড়তে পারে। আর পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় সাময়িকভাবে দাম কমলেও এটা কতটা স্থায়ী হবে তাতে সন্দেহে আছে।
তবে আড়তদার বাবুল মিয়া বলেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম এক মাসের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। তার মতে, আমদানি করা ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বাজারে আসায় দেশি পেঁয়াজের মজুতদাররা আতঙ্কে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়িয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ ঠিক থাকলে দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে, অন্যথা কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে অস্থির হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

