বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক সাইকোলজির ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, যা আয়োজন করেছে ইয়াশফীন সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড ইসলামিক সাইকোলজি।
২৭ ও ২৮ জুন ঢাকার মিরপুরে মুসলিম অন্ট্রোপ্রনারস কমিউনিটির (এমইসি) কনফারেন্স রুমে এই দুই দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সরাসরি অংশ নেন ৯০ জন এবং জুম প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হন আরও ৫৩ জন।
এই সম্মেলনের চেয়ারপারসন ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক সাইকোলজিস্ট প্রফেসর ড. জি. হুসেইন রাসুল, যিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং ইয়াশফীন সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড ইসলামিক সাইকোলজির একাডেমিক কনসালট্যান্ট।
মূল বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের শাইখ ড. রিফাকাত রাশিদ। তিনি একজন জেনারেল প্র্যাকটিশনার ও আল বালাঘ একাডেমি'র কোর্স ডিরেক্টর। আন্তর্জাতিক বক্তাদের তালিকায় আরও ছিলেন ড. জুলেইহা কেসকিন (অস্ট্রেলিয়া), প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ খালিলি (পাকিস্তান), ড. হানান ডোভার (অস্ট্রেলিয়া), ড. বাগুস রিয়োনো (ইন্দোনেসিয়া), ও যুলেখা শাকুর রজনি (ইন্ডিয়া)।
দেশীয় স্কলারদের মধ্যে ছিলেন- অধ্যাপক ড. মোখতার আহমাদ, ড. শামসুল আরেফীন শক্তি, ড. এ ডি এম. রিফাত চৌধুরি, ড. মেহেদি হাসান, মুফতি হাফিয আল মুনাদি ও জিয়াউল হক।
"ব্রিনগিং দ্য গ্যাপ: এক্সপ্লোরিং ফেইথ এন্ড মেনটাল হেলথ" শীর্ষক এই কনফারেন্সে ইসলামিক সাইকোলজির একাডেমিক ভিত্তি, পেশাদার কাঠামো ও শরীয়াহ সম্মত মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে আলোকপাত করেছেন বক্তারা।
পরবর্তীতে ৬ জুলাই ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় কনফারেন্স-পরবর্তী হাতে-কলমে ওয়ার্কশপ। সেখানে ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীরা ইসলামিক সাইকোথেরাপির ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ নেন।
এই কনফারেন্স এবং ওয়ার্কশপের স্পন্সর ছিল বাংলাদেশ ইসলামিক মেডিকেল সোসাইটি (বিমস)। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করেছে ইয়াশফীন হসপিটাল, রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ অ্যান্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (র্যামফিট) এবং মেডিভার্স। ফিকহ ও চিকিৎসার সমন্বিত গবেষণার মাধ্যমে মুসলিম সমাজে স্বাস্থ্যসেবার নতুন দ্বার উন্মোচন করছে এসব প্রতিষ্ঠান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

