রাজধানীর বাড্ডায় সুমী আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরুদ্ধকরে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়।
তাকে মৃত্যুর পূর্বে নেশা জাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফরেনসিক বিভাগের সহায়তা নেয়া হচ্ছে বলে জানান বাড্ডা থানার এসআই ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
জানা গেছে, উত্তর বাড্ডা খাজা মইনুল ইসলামের বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্লাট থেকে রোববার রাত পৌনে ১১টায় গৃহবধূ সুমি আক্তার এর লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ।
নিহত গৃহবধূ পটুয়াখালী জেলার ধুমকী উপজেলার মো: হানিফ হাওলাদার ও মাহিনুর বেগমের মেয়ে। উত্তর বাড্ডা, সোনা মিয়া মাতাব্বর রোডের নাজমুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
বাড়ির মালিক নাইমুল ইসলাম জানান, সুমী আক্তার গত ৩/৪ মাস আগে ভাড়া নেন। সেখানে তার স্বামী মাঝে মধ্যে আসতেন। তিনি বলেন, যতটুকু শুনেছি তার স্বামীর সাথে ঝগড়াঝাঁটি হতো।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তার স্বামীই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে থাকতে পারে। স্বামীকে পাওয়া যায়নি। বাহির দিয়ে লক করা ছিল। পুলিশ এসে দরজা খুলে তার লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের ছোট বোন রুবি আক্তার নূপুর বলেন, দেড় বছর আগে তার বোনের আগের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায়। একটি সন্তান রয়েছে। পরিবারের সাথে তার যোগাযোগও কম ছিল।
পরবর্তীতে ১১ মাস পূর্বে রাসেল নামে একজনকে বিবাহ করে আমরা জানতে পেরেছি। তবে তার সঙ্গে সত্যিই বিবাহ হয়েছে কিনা সেটাও তারা কোনো ডকুমেন্ট পাইনি। তাদের দাবি ওই রাসেল তাকে হত্যা করেছে।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

