দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি

দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি

ইনস্টিটিউট অফ ফ্যামিলি ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান মীর লুৎফুল কবীর সা'দী ও জেনারেল সেক্রেটারি ড. ফয়সাল খান বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সমকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডার মতবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করায় সম্প্রতি দু’জন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে হত্যার উস্কানি দেয়া হয়েছে। যা সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সেই সমকামি উস্কানিদাতাকে বহিষ্কার করা হলেও আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে প্রশাসনের কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। শিক্ষক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎসকে হত্যার উস্কানিদাতার পক্ষাবলম্বনকারীরাও সমকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডার মতবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

নেতৃদ্বয় বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই যে, বাংলাদেশে ইসলাম ও সমাজ বিরোধী অপচেষ্টা বিশেষ করে পশ্চিমা বিকৃত চিন্তা-চেতনা ও অপসংস্কৃতি স্বাভাবিকরণের কোন অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না। কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যারাই বাংলাদেশে এই অপচেষ্টায় লিপ্ত দল-মত নির্বিশেষে এদের বিরুদ্ধে জাতি ঐক্যবদ্ধ আছে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ড. মুহাম্মদ সারোয়ার ও আসিফ মাহতাব উৎস'র মাথা দ্বিখণ্ডিত করে ফুটবল খেলার চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এটি সরাসরি হত্যার ডাক, নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করা ও ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ভয়াবহ ভিডিও ভিজুয়াল ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যার হুমকি।

নেতৃদ্বয় বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধি ৫০৬, ৫০৫ ও ১০৭ ধারা ও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। অথচ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো হুমকি দাতাদের গ্রেফতার করেনি কিংবা ভিকটিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি।

এছাড়া বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, গণতান্ত্রিক ছাত্রদল ও গণসংহতি আন্দোলনের কিছু নেতা প্রকাশ্যে হুমকিদাতাদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। এমনকি ১৬২ জন কথিত নাগরিক বিবৃতি দিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষকদেরই ক্ষমা চাইতে বলেছেন। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে, এটি কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ ও এলজিবিটি এজেন্ডা স্বাভাবীকরণ-এর অংশ।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অবিলম্বে উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ভিকটিমদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন