অনলাইনে ভেজাল বিদেশি কসমেটিকস বিক্রি, প্রতারক গ্রেপ্তার

অনলাইনে ভেজাল বিদেশি কসমেটিকস বিক্রি, প্রতারক গ্রেপ্তার

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় বিদেশি প্রসাধনী, এ বিষয়ে নেই কোনো কাগজপত্রও। উৎপাদিত ভেজাল প্রসাধনী ঢাকার লালবাগ ও চকবাজারের বিভিন্ন অসাধু পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করতো প্রতারক চক্রটি। এমনকি অনেক অসাধু ব্যবসায়ী সেই ভেজাল পণ্য সস্তায় কিনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপন দিয়ে দেদারসে বিক্রি করতো। অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ জন। বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. হৃদয় হোসেন (২৫)। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ভেজাল প্রসাধনী ও মোড়ক উদ্ধার করা হয়। গত ২৪ জুন দিবাগত রাতে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পুরাতন ভাড়ালিয়া এলাকায় সিআইডি ঢাকা জেলার একটি ভেজালবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডির বিশেষ টিম ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী কারখানায় উৎপাদন ও মোড়কজাত করা অবস্থায় মো. হৃদয় হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করে এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে ৯টি আইটেমের ১০৭০ প্যাকেট বিভিন্ন রকম নকল ও ভেজাল বিদেশি সামগ্রী এবং ২০০ পিস খালি মোড়ক উদ্ধার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত মো. হৃদয় হোসেন (২৫) জানায়, বিদেশি এসব কসমেটিকস বাংলাদেশে উৎপাদন বা আমদানি হয় না। চক্রের অন্যান্য সদস্যরা বিদেশের লাগেজ পার্টির মাধ্যমে স্যাম্পল এনে তা কপি করে এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করে। এ সংক্রান্তে কোন কাগজপত্র নেই। এসব সামগ্রী তৈরি করে সে লালবাগ ও চকবাজার এর বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে এবং পরবর্তীতে তারা বিদেশি প্রসাধনী বলে স্থানীয় পাইকারি ও খুচরা ক্রেতাদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে ।

এ ছাড়াও অনেক গ্রাহক তার কাছ থেকে মালামাল নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইনেও প্রচুর বিক্রি করে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন