শহরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা গঠনে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি নাগরিকেরও সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার সকালে নগরীর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালির উদ্বোধনকালে প্রশাসক এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রিন রাখার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন এবং ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুশাসন জারি করেছেন। ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে ডিএনসিসি। শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত এবং মশা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্কুল কলেজের মধ্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে এ কার্যক্রম চলমান আছে।
সিটি কর্পোরেশন পাশাপাশি প্রতিটি পাড়া মহল্লা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, গত ১৫ জুলাই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সকল স্টেকহোল্ডার, সোসাইটির মালিক সমিতিসহ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সচিব ও পুলিশ কমিশনারসহ সকলকে নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবাইকে সচেতনতা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ২৮শে জুলাই আমরা স্কুলে প্রোগ্রাম করেছি এবং তার ধারাবাহিকতায় আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হলো। প্রশাসক বলেন, চলার পথে আপনার হাতে থাকা টিস্যু, হাতে থাকা ছোট পানির বোতল একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলবেন। আমরা চাই একটা সুন্দর নগর উপহার দিতে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক জানান, যাদের বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা জরিমানা করব। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে যোগদান করেছেন। তাদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করব।
প্রশাসক জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোনো স্থাপনা কিংবা ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে অথবা বাসা বাড়ির সামনে যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ময়লা ছেড়ে রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।
এমএমআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


