বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় স্বায়ত্তশাসন জরুরি: সাবেক প্রধান বিচারপতি

বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় স্বায়ত্তশাসন জরুরি: সাবেক প্রধান বিচারপতি
ছবি: সংগৃহীত

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা টেকসই করতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই বিভাগের প্রয়োজনীয় কাঠামো, সক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বার্ষিক আইন বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাবির আইন অনুষদ আয়োজিত এ বক্তৃতায় তার আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশের সাংবিধানিক পরিচয়, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন ও বিচার বিভাগীয় সংস্কার।

বিজ্ঞাপন

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং বর্তমানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ওনারারি-ভিজিটিং ফেলো সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, বিচারকের স্বাধীনতা এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এক বিষয় নয়। বিচারক স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও নিয়োগ, প্রশাসন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ যদি অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল থাকে, তাহলে সেই স্বাধীনতা পূর্ণাঙ্গ হয় না।

তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ বিচ্ছিন্নতা নয়। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নয়, আইনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। স্বাধীনতার সঙ্গে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয় থাকা জরুরি।

সাবেক প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাংবিধানিক আদর্শের অভাব খুব বেশি ছিল না; সমস্যা ছিল এসব আদর্শকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়নের মতো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায়। কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা পাওয়া ব্যক্তিকেও ‘না’ বলার সক্ষমতা থাকতে হবে।

তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালে বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় মেধা, সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ বিচ্ছিন্নতা নয়। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নয়, আইনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। স্বাধীনতার সঙ্গে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয় থাকা জরুরি।

সাবেক প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাংবিধানিক আদর্শের অভাব খুব বেশি ছিল না; সমস্যা ছিল এসব আদর্শকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়নের মতো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায়। কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা পাওয়া ব্যক্তিকেও ‘না’ বলার সক্ষমতা থাকতে হবে।

তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালে বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় মেধা, সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ বিচ্ছিন্নতা নয়। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নয়, আইনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। স্বাধীনতার সঙ্গে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয় থাকা জরুরি।

সাবেক প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাংবিধানিক আদর্শের অভাব খুব বেশি ছিল না; সমস্যা ছিল এসব আদর্শকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়নের মতো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায়। কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা পাওয়া ব্যক্তিকেও ‘না’ বলার সক্ষমতা থাকতে হবে।

তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালে বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় মেধা, সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...