শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-চীন টি সামিট। ২০ মে এই সামিট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধীনস্থ চাইনিজ কর্নার এবং ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে হবে এই সামিট।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ সোশ্যাল সায়েন্স বিল্ডিংয়ে ২০ মে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এই সামিট শুরু হবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চা বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এই ব্যতিক্রমধর্মী সামিটের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ-চীন চা বাণিজ্য ও সহযোগিতা উন্নয়ন’। সামিটে চীন থেকে ১২ জন চা ব্যাবসায়ী এবং উদ্যোক্তা অংশ নেবেন। সামিটে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশি চা ব্যবসায়ীরা চীনা উদ্যোক্তা ও আমদানিকারকদের সামনে সরাসরি নিজেদের পণ্য তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এতে চীনের বাজারে বাংলাদেশি চায়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা লাভ করা যাবে।
সামিটে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে স্টল প্রদর্শনের এবং বিভিন্ন রকমের চা পানের সুযোগ।
বাংলাদেশের চা বাগান মালিক, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের এই সামিটে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজিস্ট্রেশন বা অন্যান্য তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে বোরহান উদ্দিনের সঙ্গে। যোগাযোগ নম্বর: ০১৮৭৬-৯৩৭৫৬৬। ইমেইল: chinesecorner-pss@sust.edu
বাংলাদেশ-চায়না টি সামিট চা শিল্পের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন চায়নিজ কর্নারের সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাহাবুল হক। তিনি বলেন, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে রয়েছে প্রায় দেড়শ চা বাগান। এই সামিটের মাধ্যমে এই এলাকার চা ব্যাবসায়ীদের সাথে চীনের চা ব্যাবসায়ীদের একটি যোগসূত্র স্থাপিত হবে। এটি বাংলাদেশ এবং চীনের চা বাগান মালিক, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের জন্য বড় সুযোগ। এই ধরণের উদ্যোগ সিলেটে এই প্রথম। এই সুযোগ কাজে লাগানো উচিৎ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

