ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থানরত ভবঘুরে, অপ্রকৃতিস্থ, মাদকসেবী এবং উদ্বাস্তুদের ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে নেয়াসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) ঢাবি শাখা।
সোমবার বিকেলে প্রক্টর অফিসের সামনে সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন শেষে প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বরাবর এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় ক্যাম্পাসকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ করতে পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়। পাঁচ দফা দাবি হলো:
১. ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ভবঘুরে, মাদকসেবী ও অপ্রকৃতিস্থদের ক্যাম্পাস থেকে সরানো;
২. ক্যাম্পাস থেকে তুলনামূলক দূরে অবস্থিত নারীদের হল এলাকায় সন্ধ্যা থেকে প্রক্টরিয়াল টিমের অবস্থান জোরদার করা;
৩. ক্যাম্পাসে অবস্থানরত মাদকসেবীসহ ভবঘুরে, অপ্রকৃতিস্থ ও উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা যাতে করে তারা ক্যাম্পাসে পুনরায় ফিরে না আসে;
৪. ক্যাম্পাসে বেড়ে উঠা উদ্বাস্তু শিশু-কিশোরদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের সহায়তা করা;
৫. ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা।
পরে সংগঠনটির ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, ক্যাম্পাস ভবঘুরে, মাদকাসক্ত, অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার শঙ্কা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে আমরা সার্বিকভাবে বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের সামনে উপস্থাপন করেছি এবং প্রতিকার নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করেছি।
এর বাইরে ক্যাম্পাসের বাইরে নারীদের হল এলাকায় প্রক্টরিয়াল বডির কার্যক্রম বাড়ানোর দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ক্যাম্পাসের বাইরে নারীদের তিনটি হল আছে: সুফিয়া কামাল এবং ফজিলাতুন্নেছা-মৈত্রী হল। দুই এরিয়ার মেয়েরা চলাচলে নিরাপত্তার শঙ্কায় ভোগে। দুইটা পিক আওয়ার সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সুফিয়া কামাল এবং ফজিলাতুন্নেছা-মৈত্রী হলের এরিয়ায় দুইজন করে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য মোতায়েন করতে বলেছি আমরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

