ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি আমাদের নির্বাচিত করে তাহলে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থী বান্ধব অ্যাকাডেমিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে ডাকসু নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করার সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।
ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থীজোটের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীদের উচিত তারা নির্বাচিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কিভাবে সাজাবে অথবা কেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে চায়। সেই রূপরেখা শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরা। কিন্তু যারা ট্যাগিং এবং ফ্রেমিংয়ের রাজনীতি করছে, সেই আগের ধারায়ই রাজনীতি করবে শিক্ষার্থীরা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে। আমরা যারা বিভিন্ন পদে প্রার্থী আছে এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন যেন তাদের আইডিয়াগুলা শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে। এতে শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
সাবেক সমন্বয়ক সাদিক বলেন, একজন শিক্ষার্থী অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আমলা অথবা একাডেমিশিয়ান হতে চায় কিন্তু আবাসন সংকট, ক্লাসরুম সংকট, শিক্ষার যথাযথ পরিবেশ এবং কো কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটি না থাকায় শিক্ষার্থীদের সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। রাজনীতির নামে অপরাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রাজনীতির মানসিকতা নষ্ট করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা যদি আমাদের নির্বাচিত করে ম্যান্ডেট দেয় তাহলে আমরা রাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাডেমিক ও শিক্ষার্থী বান্ধব বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করব ইনশাআল্লাহ।
ঢাবি শিবিরের সাবেক এই সভাপতি বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে শিক্ষকদের মূল্যায়নের ব্যবস্থার করার মাধ্যমে শিক্ষাকে উন্নয়নের চেষ্টা করব। লাইব্রেরির সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করব। এর পাশাপাশি আমরা সকল লাইব্রেরিকে ই লাইব্রেরির অধীনে নিয়ে আসব। বাংলাদেশের রপ্তানির বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম খাত ছিল লেদার টেকনোলজি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে উন্নত মেশিনারিজ এবং সিন্ডিকেটের ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ পাচ্ছে না বলে আমরা মনে করছি।
জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেন, আমরা দেখছি হঠাৎ হঠাৎ রাত আট নয়টা অথবা বারোটায় বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডাকসু নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা প্রফেশনাল আচরণ প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কোন একটা বিষয় মনে হলো আর খসড়া বিজ্ঞপ্তি আপলোড করে দেওয়া এটা খুবই দুঃখ জনক।
তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য স্বাধীন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা, মিডিয়ার ক্ষেত্রে কেন ধরনের কোন বাঁধা না রাখা, ভোটদানের লজিস্টিক সাপোর্টগুলো প্রয়োজনে বাহির থেকে আগেই নিয়ে আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা উদাত্ত আহ্বান করছি।
উল্লেখ্য আজ থেকে শুরু হয়েছে ডাকসু নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে ডাকসু নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের প্রার্থীরা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

