ডাকসু নির্বাচন

অপপ্রচারকারী গ্রুপ নিষিদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি ছাত্রদলের

অপপ্রচারকারী গ্রুপ নিষিদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি ছাত্রদলের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে অনলাইনভিত্তিক অপপ্রচার, কুৎসা রটনা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট গ্রুপ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে।

শনিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেয় সংগঠনটির নেতারা। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসন্ন ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ’, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ-২’, ‘DU Insiders’-সহ বেশ কিছু ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছাত্রদল সমর্থিত আবিদ-হামীম-মায়েদ পরিষদের প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে অপতথ্য ও কুৎসা রটানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধির ৫ নম্বর ধারা ও ১০০ নম্বর ধারা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত গ্রুপগুলোর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত কয়েকজন প্রার্থীও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা আচরণবিধি লঙ্ঘনের আরও গুরুতর দৃষ্টান্ত।

ছাত্রদলের দাবি, এসব গ্রুপ অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ও একাডেমিক শাস্তির আওতায় আনা এবং যেসব প্রার্থী সরাসরি এসব গ্রুপ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত তাদের প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে। এতে করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন সম্ভব হবে।

অভিযোগপত্র জমা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে সহনশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা বজায় রাখার দায়িত্ব সকলের। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপে আমাদের প্রার্থীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা আগেই নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। এখন আমাদের স্পষ্ট দাবি, অন্তত নির্বাচনী সময়ে এসব গ্রুপ বন্ধ রাখা হোক, যেন কোনো প্রার্থী বা শিক্ষার্থী মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকার না হয়।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করা। তাই কমিশনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন