আ.লীগের ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আ.লীগের ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

দনিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কথিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাংশ।

শনিবার রাতে জবি ছাত্রদলের ২ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক, জজকোর্ট ও ভিক্টোরিয়া পার্ক হয়ে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের দাবি, কর্মসূচিতে জবি ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, গণহত্যার জন্য দায়ীদের দোসররা ন্যূনতম অনুশোচনা না করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের এই অর্জনকে ম্লান করার জন্য বিভিন্নভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা গোপনে বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে।”

তিনি আরও বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক ইঞ্চি মাটিতেও গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দোসরদের জায়গা দেওয়া হবে না। শুধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এক ইঞ্চি মাটিতেও তাদের জায়গা দেওয়া হবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মী এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।”

রুমি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাম্য, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রচেষ্টাকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আমরা রাজনৈতিকভাবে তার মোকাবিলা করব। বাংলাদেশের প্রশ্নে এবং জনাব তারেক রহমানের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সারাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও বোমাবাজির ঘটনাগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। ৭১-এর পরাজিত শক্তি এবং ২৪-এর পরাজিত শক্তির মধ্যে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখতে যা যা করা প্রয়োজন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল তা করবে।”

কর্মসূচিতে জবি ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন