সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়নের দাবি ডাকসু ও হল সংসদের

সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়নের দাবি ডাকসু ও হল সংসদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সিট সংকট নিরসন এবং দ্রুত সিট বণ্টন নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ডাকসু ও হল সংসদ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আসিফ ইমাম, এজিএস ফুজায়েল আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য সাদিক মুনেম, শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি মুসলিমুর রহমান, জসীম উদ্‌দীন হল সংসদের এজিএস হিজবুল্লাহ আল হিজুল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ হল সংসদের ভিপি তারেকুল ইসলাম, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি খন্দকার মোহাম্মদ আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, অমর একুশে হল সংসদের জিএস মো. রবিউল ইসলাম এবং এজিএস উবায়দুর রহমান হাসিব।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ বলেন, বর্তমানে হলগুলোতে ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত সাতটি ব্যাচ অবস্থান করছে। পুনঃভর্তি নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে শৈথিল্য প্রদর্শন করা হলে একত্রে ১০-১১টি ব্যাচ হলে থাকার সুযোগ তৈরি হবে। এতে সিট সংকট আরও তীব্র হবে এবং গণরুম সংস্কৃতি অনিবার্য হয়ে পড়বে। তাই সিট বণ্টন নীতিমালায় পুনঃভর্তি ও অভর্তির ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য মানা হবে না।

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আসিফ ইমাম বলেন, আমাদের বোনেরা ছেলেদের তুলনায় বেশি চান্স পাওয়া সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় আবাসিক সুবিধা থেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছে। প্রণীতব্য নীতিমালায় যদি শিক্ষার্থীদের মৌলিক স্বার্থের প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শক্ত আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সবশেষে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, এখনও পর্যন্ত সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে না পারা বর্তমান প্রশাসন ও প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির গাফিলতির প্রমাণ। প্রশাসনের কার্যক্রমে মনে হচ্ছে, তারা ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের হাতে হলের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। এই চক্রান্ত শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।

এএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন