লো ভিশন বা কম দৃষ্টিশক্তি এমন একটি অবস্থা, যেখানে রোগীর দৃষ্টিশক্তি সাধারণ চশমা, কনট্যাক্ট লেন্স, ওষুধ বা শল্যচিকিৎসা দ্বারা সম্পূর্ণরূপে সংশোধনযোগ্য নয় এবং তা দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত করে।
এ অবস্থায় রোগীর জন্য লো ভিশন এইড ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। লো ভিশন এইড বলতে বোঝায় বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল ও নন-অপটিক্যাল যন্ত্র। যেগুলোর মাধ্যমে রোগীরা তাদের অবশিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারেন। অপটিক্যাল এইডের মধ্যে রয়েছে হ্যান্ড হেল্ড বা স্ট্যান্ড ম্যাগনিফায়ার, টেলিস্কোপিক গ্লাসেস, হাই-পাওয়ার রিডিং গ্লাস ইত্যাদি।
নন-অপটিক্যাল এইড হিসেবে ব্যবহার করা হয় বড় হরফের প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়াল, কনট্রাস্ট বাড়ানোর জন্য ফিল্টার, স্পেশাল লাইটিং এবং অডিও বই। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল লো ভিশন এইড যেমনÑ সিসিটিভি ম্যাগনিফায়ার, ইলেকট্রনিক রিডার ও মোবাইল অ্যাপস, রোগীর আত্মনির্ভরশীলতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করেছে।
চক্ষুবিশেষজ্ঞ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো রোগীর দৃষ্টিশক্তির মাত্রা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক লো ভিশন এইড নির্বাচন করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া। সময়মতো এই সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারে রোগীর জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।
লেখক : ডা. গোলাম রাব্বানী রলিন, কনসালট্যান্ট
বাংলাদেশ আই হাসপাতাল, জিগাতলা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

