ইনকিলাব মঞ্চ থেকে প্রকাশিত ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি ও গাইল সমগ্র’ বইটির প্রচ্ছদের দিকে তাকালেই একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এটি কেবল কোনো গ্রাফিক্যাল সংকলন নয়, বরং এক উত্তাল সময়ের ভাষিক, সাংস্কৃতিক ও সচিত্র দলিল। উঁচু করা মুষ্টি, প্রতিবাদী মুখ আর আগুনের মতো জ্বলে ওঠা শব্দগুলো যেন ঘোষণা করে, এখানে ভাষা আর নিরীহ নয়; তা সংঘর্ষমুখর, অস্বস্তিকর কিন্তু নির্মমভাবে সত্য। এই প্রচ্ছদ আমাদের এক অস্বস্তিকর অথচ জরুরি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—কেন একটি প্রজন্ম তাদের অভিব্যক্তির জন্য এমন এক ভাষা বেছে নিচ্ছে, যাকে আমরা ‘গালি’ বা ‘গাইল’ বলে চিহ্নিত করি? এটি কি কেবল ভাষার অবক্ষয়, নাকি দীর্ঘদিনের দমিত ক্ষোভ, রাজনৈতিক বঞ্চনা ও সামাজিক অসন্তোষের এক সৃজনশীল বিস্ফোরণ?
ভাষা মানুষের সভ্যতার এক বিস্ময়কর নির্মাণ—একই সঙ্গে অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের বহুমাত্রিক প্রকাশও। মানুষ এই ভাষায় ভালোবাসা জানায়, প্রার্থনা করে, কবিতা রচনা করে; আবার একই ভাষায় ক্রোধ, হতাশা ও বিদ্রোহও উচ্চারিত হয়। এই বহুস্বরিক ভাষাজগতে একটি অস্বস্তিকর অথচ অনিবার্য উপাদান হলো গালি। সমাজে এগুলোকে সাধারণত অশালীন বা নিষিদ্ধ বলে চিহ্নিত করা হলেও বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর এমন কোনো ভাষা নেই যেখানে গালির অস্তিত্ব নেই। যেন মানুষের আবেগের এমন এক সীমান্ত আছে, যেখানে পরিশীলিত ভাষা আর কার্যকর থাকে না; তখনই মুখ ফসকে বেরিয়ে আসে সংক্ষিপ্ত, তীব্র এবং কখনো নিষিদ্ধ কোনো শব্দ। এদিক থেকে ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং তা প্রতিকূল সময়ে টিকে থাকার এক মানসিক ও সামাজিক ঢাল হিসেবেও কাজ করে। আর এই ঢালই পরবর্তী সময়ে প্রতিবাদের ভাষায় রূপ নেয়। এখান থেকেই শুরু হয় গালির মনস্তত্ত্ব, ভাষার বিদ্রোহ এবং সংস্কৃতির এক দ্বান্দ্বিক ব্যাকরণ।
এই ভাষাগত বাস্তবতা ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এক নতুন তাৎপর্য পেয়েছে। ঘটনাটি কেবল রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল প্রচলিত ভাষাকাঠামো, আভিজাত্য ও কৃত্রিম শুদ্ধতার ধারণাকে ভেঙে দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। বিশেষত জেন-জি প্রজন্ম যে ভাষার প্রয়োগ ঘটিয়েছে—যাকে তারা রসিকতার ভঙ্গিতে ‘গাইল’ বলে অভিহিত করে—তা নিছক অশ্লীলতা বা কদর্যতার সরল ফ্রেমে আবদ্ধ নয়; বরং এই ভাষা দীর্ঘদিনের অবদমিত ক্ষোভ, রাজনৈতিক জড়তা ও সামাজিক অসন্তোষের এক সৃজনশীল বহিঃপ্রকাশ। এটি এক ধরনের বিকল্প রাজনৈতিক ভাষা, যা প্রচলিত ভদ্রতার আড়াল ভেঙে সরাসরি প্রতিক্রিয়া তৈরি করে এবং ক্ষমতার কাঠামোকে তির্যকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফলে ভাষা এখানে শুধু অভিব্যক্তি নয়, বরং এক সক্রিয় প্রতিরোধের হাতিয়ারে পরিণত হয়।
এই প্রেক্ষাপটে গালিকে কেবল নৈতিকতার মানদণ্ডে শোভন বা অশোভন হিসেবে বিচার করলে এর প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবন করা যাবে না। মনোবিজ্ঞান ও ভাষাবিজ্ঞানের আলোকে গালি মানুষের আবেগের তীব্রতা, সামাজিক সম্পর্কের জটিলতা এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। কখনো এটি রাগের আকস্মিক বিস্ফোরণ, কখনো হতাশার আর্তনাদ, আবার কখনো তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ বা বিদ্রূপের ভাষা। একই শব্দ বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠতায় রসিকতা হয়ে উঠতে পারে, আবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে তা অপমানের রূপও নেয়—যা প্রমাণ করে, গালির অর্থ নির্ভর করে প্রসঙ্গ, সম্পর্ক ও সামাজিক দূরত্বের ওপর। এখানেই ভাষার সামাজিক চরিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এই সামাজিক চরিত্রের বিস্তার ঘটলে দেখা যায়, গালির অর্থ কখনোই একরৈখিক নয়; বরং তা নিরন্তর পরিবর্তনশীল। বিশ্বের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে গালির উৎসও এই সামাজিক মানদণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত; কোথাও ধর্ম, কোথাও যৌনতা, আবার কোথাও পরিবার ও বংশকে কেন্দ্র করে গালি গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ সমাজ যে বিষয়গুলোকে নিষিদ্ধ বা ট্যাবু হিসেবে চিহ্নিত করে, গালি প্রায়ই সেই সীমা ভেঙেই তৈরি হয়—যেন ভাষার ভেতরেই এক ধরনের নীরব বিদ্রোহ কাজ করে। এই বিদ্রোহই ভাষাকে কেবল নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ রাখে না, বরং তাকে গতিশীল করে তোলে।
বাংলাদেশি সমাজেও গালির এই দ্বৈততা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। সামাজিক ও পারিবারিক পরিসরে গালিকে নিরুৎসাহিত করা হলেও বাস্তব জীবনের কথোপকথন—বিশেষত আড্ডা, শ্রমজীবী পরিবেশ বা উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এর উপস্থিতি মোটেই অস্বাভাবিক নয়। গ্রামীণ সংস্কৃতিতেও গালি কখনো কৌতুক, নাট্যরস বা আবেগের তীব্রতা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে গালি সবসময় আক্রমণের ভাষা নয়; বরং এটি বহু ক্ষেত্রে সামাজিক বিনিময়, রসবোধ x অভিজ্ঞতারও অংশ হয়ে ওঠে, যা ভাষার বহুমাত্রিকতাকে আরো স্পষ্ট করে।
এই বহুমাত্রিকতা ডিজিটাল যুগে এসে নতুন রূপ লাভ করেছে, যেখানে ভাষা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুত এবং তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জন্য এমন এক পরিসর তৈরি করেছে, যেখানে ভাষার ব্যবহার অনেক বেশি সরাসরি এবং তাৎক্ষণিক। একই সঙ্গে গালিও এখানে নতুনভাবে রূপান্তরিত হয়েছে—মিম, ইঙ্গিতপূর্ণ বাক্য ও ব্যঙ্গাত্মক প্রকাশের মাধ্যমে। ফলে গালি আর কেবল উচ্চারিত শব্দ নয়; এটি একটি সাংস্কৃতিক সংকেতে পরিণত হয়েছে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিক্রিয়ার সঞ্চার করে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে জেন-জি, যারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, তীক্ষ্ণ ও বহুমাত্রিক করে তুলেছে।
মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রবণতার ব্যাখ্যাও সুস্পষ্ট। গালি বা স্ল্যাং মানুষের মস্তিষ্কের আবেগজনিত অংশ—অ্যামিগডালা ও লিম্বিক সিস্টেম থেকে উঠে আসা একপ্রকার স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা। এটি কোনো সুচিন্তিত বুদ্ধিবৃত্তিক প্রয়াস নয়; বরং মানুষের রাগ, ক্ষোভ, এমনকি আনন্দেরও এক আদিম বহিঃপ্রকাশ। সিগমুন্ড ফ্রয়েডের তত্ত্ব অনুযায়ী, সামাজিকভাবে দমিত ট্যাবু শব্দের ব্যবহার মানুষের মধ্যে এক ধরনের মানসিক মুক্তি সৃষ্টি করে। ফলে জেন-জির এই ভাষা ব্যবহারের প্রবণতাকে বিদ্রোহী সাহসিকতার প্রতীক হিসেবেই দেখা যায়, যেখানে প্রচলিত ভদ্র ভাষা ব্যর্থ হলে গালি হয়ে ওঠে বিকল্প প্রকাশ।
এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে ডলার্ডের ‘ফ্রাসট্রেশন-অ্যাগ্রেশন হাইপোথিসিস’ (Frustration-Aggression Hypothesis) আমাদের জানায়, দীর্ঘস্থায়ী হতাশা প্রায়ই প্রতীকী আগ্রাসনে রূপ নেয়। রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে তরুণদের মধ্যে যে হতাশা তৈরি হয়েছিল, তা এই ভাষার মাধ্যমেই প্রকাশ পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গালি মানুষের স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে এবং প্রতিকূলতা সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ায়। সুতরাং, জুলাইয়ের রাজপথে উচ্চারিত স্লোগানগুলো কেবল শব্দ ছিল না; সেগুলো ছিল এক প্রজন্মের টিকে থাকার মানসিক শক্তি, যা ভাষাকে সরাসরি অস্ত্রে রূপান্তরিত করেছে।
এই অস্ত্রের সামাজিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাত্ত্বিক মিশেল ফুকো দেখিয়েছেন, শরীর বা যৌনাঙ্গকেন্দ্রিক ভাষা প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতার কাঠামোকে ভেঙে দিতে সক্ষম। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ডিমিস্টিফিকেশন’, যেখানে ক্ষমতার মিথ ভেঙে তাকে সাধারণ বাস্তবতায় নামিয়ে আনা হয়। ২০২৪-এর গ্রাফিতি ও স্লোগানে জেন-জি ঠিক এই কাজটিই করেছে—ক্ষমতার মুখোশ উন্মোচনের মাধ্যমে ভাষাকে করেছে রাজনৈতিকভাবে তীক্ষ্ণ ও কার্যকর। যখন তারা ‘সিডিআই’ (CDI) বা ‘চুদলিং পং’-এর মতো শব্দগুলো ব্যবহার করেছে, তখন তারা মূলত ক্ষমতার মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছে।
অন্যদিকে পিয়ের বুর্দিয়ুর ভাষাকে দেখেছেন ক্ষমতার লড়াইয়ের ক্ষেত্র হিসেবে। জেন-জি যখন অনুভব করেছে যে তাদের কণ্ঠস্বর প্রচলিত কাঠামোতে উপেক্ষিত, তখন তারা ভাষাকেই আক্রমণের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে। এই ভাষা আপাতদৃষ্টিতে অশ্রাব্য হলেও এর ভেতরে নিহিত রয়েছে এক গভীর সামাজিক সত্য। ডিজিটাল পরিবেশে বেড়ে ওঠার ফলে ‘অনলাইন ডিসইনহিবিশন ইফেক্ট’-এর প্রভাবও তাদের ভাষাকে আরো নির্ভীক ও সরাসরি করে তুলেছে, যা অনলাইন থেকে অফলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে জুলাই আন্দোলনের স্লোগানগুলোয় এক ধরনের নান্দনিক দ্রোহ লক্ষ করা যায়। প্রচলিত অভিধানের বাইরে থাকা শব্দগুলোই হয়ে উঠেছে জেন-জির প্রধান হাতিয়ার। নতুন শব্দ, সংকেত ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে তারা সামাজিক সেন্সরশিপকে অগ্রাহ্য করে এক বিকল্প ভাষিক জগৎ নির্মাণ করেছে। এই ‘গাইল’ তাই কেবল ভাষার বিকৃতি নয়; বরং এটি সৃজনশীল প্রতিরোধের এক অনন্য রূপ। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড বা সামাজিক সেন্সরশিপকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তরুণরা তৈরি করেছে নিজস্ব সংকেত ও শব্দকল্প, যেমন—‘গোমাসা’ বা ‘হোমাসা’ ইত্যাদি।
এখানেই এসে ‘গাইল’ ব্যক্তিগত আক্রোশের সীমা ছাড়িয়ে সমষ্টিগত প্রতিরোধের ভাষায় পরিণত হয়। তথাকথিত ভদ্রলোকি আভিজাত্যকে তুচ্ছ করে এটি দুর্নীতিগ্রস্ত কাঠামোর বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেয়। জর্জ অরওয়েল-এর ভাষায়, স্পষ্ট চিন্তার জন্য প্রয়োজন স্পষ্ট ও রূঢ় ভাষা—আর জেন-জির ভাষা সেই স্পষ্টতারই এক তীব্র প্রকাশ। এই ধারার ঐতিহাসিক শিকড়ও বাংলা সাহিত্যেই নিহিত। চর্যাপদ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন থেকে শুরু করে মাইকেল মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ কিংবা নজরুলের রচনায় গালির বাস্তবমুখী প্রয়োগ দেখা যায়। কাজী নজরুল ইসলাম তো মানুষের গালাগালিকে ‘গলাগলি’তে পরিণত করার মহৎ স্বপ্ন দেখেছিলেন। আধুনিক সাহিত্যেও বুদ্ধদেব বসু বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখাতে বাস্তবতাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে গালির শৈল্পিক ব্যবহার ঘটেছে।
সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে এই ভাষা প্রান্তিক মানুষের আত্মরক্ষার অস্ত্র হিসেবেও কাজ করে। ক্ষমতাহীন মানুষের কাছে শব্দই হয়ে ওঠে প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। জেন-জি সেই প্রান্তিকতার অনুভূতিকেই ধারণ করে তাদের ভাষাকে রূপ দিয়েছে—যেখানে গালি আর কেবল ভর্ৎসনা নয়, বরং এক ধরনের জীবনবাদী উচ্চারণ, যা সমাজের ভণ্ডামিকে উন্মোচিত করে।
২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে জেন-জির ব্যবহৃত ভাষা কোনো বিচ্ছিন্ন অসভ্যতা নয়; এটি একটি জাতির মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের ফল ও প্রতিক্রিয়া। সমাজের তথাকথিত শুদ্ধাচার যখন জীর্ণ হয়ে পড়ে, তখন এই অশালীন বলে চিহ্নিত ভাষাই হয়ে ওঠে নতুন সত্যের বাহক। ইতিহাসে প্রতিটি যুগ তার নিজস্ব প্রতিবাদের ভাষা নির্মাণ করেছে; আজকের যুগে সেই ভাষা মিম, ব্যঙ্গ এবং ‘গাইল’-এর রূপ নিয়েছে। অতএব, ভাষার এই রূপান্তরকে অস্বীকার করা মানে সময়ের পরিবর্তনকে অস্বীকার করা। ভাষা কখনো স্থির নয়; এটি মানুষের জীবনের মতোই প্রবহমান ও দ্বান্দ্বিক। তাকে রুদ্ধ করতে গেলে তা স্থবির হয়ে পড়ে, কিন্তু মুক্তি দিলে সে নতুন স্রোত তৈরি করে। জেন-জি সেই স্রোতকেই মুক্ত করেছে—যেখানে গালি আর কেবল শব্দ নয়, বরং এক প্রজন্মের বিদ্রোহী ম্যানিফেস্টো। এই ম্যানিফেস্টোই ভবিষ্যতের ভাষা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চেতনার ভেতরে দীর্ঘদিন প্রতিধ্বনিত হবে বলে মনে করি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

