ভারতের কলকাতায় একটি ইফতার পার্টিতে আওয়ামী লীগের সদস্যরা নাশকতার পরিকল্পনা করেছে- এমন একটি বক্তব্য ছড়িয়েছে। এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কলকাতায় কারা আছে, কলকাতায় আছে ক্রিমিনাল। ক্রিমিনালরা তো সব সময় এ জিনিস চিন্তা করবে। ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে শরীক হন। এখানে অনেক গুণীজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আসেন। তাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। ঈদের নামাজ পড়তে পারে সেজন্য অজুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খাবার পানির ব্যবস্থা রাখা হয়ে। যদি কারোর চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এখানে সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এখানে কারো জায়নামাজ নিয়ে আসার দরকার নেই। সবার জন্য কার্পেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নাশকতার আশঙ্কা থাকলেও নিরাপত্তার কোনো অভাব নেই। যদি কোনো ধরনের সংবাদ আপনারা (সাংবাদিকরা) পান, তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা আপনাদের নিয়ে সেটি প্রতিহত করবো।
এর আগ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্ট। সেখানে তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি রোধে কঠোর নজরদারি ছিল, ফলে রেলওয়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী এই অপকর্মে জড়ানোর সাহস পাননি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘পথে পথে চাঁদাবাজি চলত, গাড়ি থামানো হতো—এবার সেটাও হয়নি। কেউ এটি করার সাহস বা সুযোগ পায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট ছিলেন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রা ইতিবাচক ফলাফল এনেছে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

