এটুআই প্রকল্পে সাড়ে ৮০০ কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

এটুআই প্রকল্পে সাড়ে ৮০০ কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এটুআইয়ের সাড়ে ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ‘এসপায়ার টু ইনোভেট’ (এটুআই) হয়ে উঠেছিল ক্ষমতাচ্যুত প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু ঘনিষ্ঠজনরা মিলেমিশে লুটপাটের বড় এক প্রকল্প।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ‘এসপায়ার টু ইনোভেট’ বা এটুআই প্রকল্পের ৮৫৫ কোটি টাকার লুটপাটের খোঁজে আগারগাঁও আইসিটি টাওয়ারে অভিযান চালায় দুদক।

বিজ্ঞাপন

দুদক জানিয়েছে, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বারবার কাজ দেওয়া ও অপ্রয়োজনীয় কাজসহ নানাভাবে সরকারি অর্থ ক্ষতিসাধনের সঙ্গে ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে দুদক।

এটুআই সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক কাজে পতিত আওয়ামী সরকার এই প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে। এতে সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা জয় এবং প্রতিমন্ত্রী পলকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে দেখা হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৫ বছরের জন্য ৮৫৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। যার নেতৃত্বে থাকা আনীর চৌধুরী আইসিটি সেক্টরে অপকর্মের মূলহোতা। যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযানে উঠে এসেছে ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতায় প্রকল্পের পদে পদে ঘটেছে অনিয়ম-দুর্নীতি। একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার কাজ দেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় কাজসহ নানাভাবে সরকারি অর্থ লুটপাট করা হয়।

পটপরিবর্তনের পর এটুআইয়ের নেতৃত্বে আসা হেড অব প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম বলেন, এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনিয়মের পেছনে জয়-পলকের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা মিলেমিশে লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছেন দুদকের অভিযানকারী দল।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন