সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনা দেবে সরকার

সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনা দেবে সরকার

দেশে সুগন্ধি চালের উৎপাদন এলাকা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুগন্ধি চাল উৎপাদনকারী এলাকাগুলোতে কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনা দিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

বিজ্ঞাপন

রোববার সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বাজারে সুগন্ধি চালের দাম বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুগন্ধি চাল উৎপাদনের এলাকাগুলো ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। এ কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ চালের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তবে সরকার ব্যাপক পরিসরে সুগন্ধি চাল রপ্তানি করছে না; অল্প কিছুদিন রপ্তানি হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।

তিনি জানান, দেশের কোন অঞ্চলে কোন ধরনের ফসল ভালো হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে কোন ফসল বেশি উপযোগী, তা নির্ধারণে ভূমি মন্ত্রণালয় সারা দেশে জরিপ চালাচ্ছে। এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে।

সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়ানোর উপায় খুঁজতে খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি মাঠপর্যায়ে কাজ করবে। কমিটির সদস্যরা সুগন্ধি চাল উৎপাদন এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। যেসব এলাকায় এখনো এ চাল উৎপাদিত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে আবাদ অব্যাহত রাখার আগ্রহ রয়েছে, সেগুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এসব এলাকার কৃষকদের অতিরিক্ত প্রণোদনা দিয়ে সুগন্ধি চালের আবাদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলে বাজারে এ চালের সংকট ও উচ্চমূল্যের সমস্যা থাকবে না বলে আশা করছে সরকার।

উৎপাদন এলাকা চিহ্নিত করে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সুগন্ধি চালের দেশীয় সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার স্থিতিশীল রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন