সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে। আমার দেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়: প্রকল্পের গায়েব নথি ও দুর্নীতির সন্ধানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির সহকারি পরিচালক কামিয়াব আফতাহি উন নবীর নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযান চালায়।
কামিয়াব আফতাহি উন নবী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের নথি গায়েব, প্রকল্প বাস্তবায়নে অসংগতিসহ বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অভিযানে সংগ্রহ করা নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হলেও তা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল এলজিইডি। প্রকল্পের নথিপত্রের যাচাইপূর্বক কমিশন কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
দুদকে আসা আভিযোগে জানা যায়, গত সাত বছরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় অন্তত ১০টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা টাকার অঙ্কে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রতিটি প্রকল্পেই অসংগতি খুঁজে দেখতে চায় দুর্নীতি দমন কমিশন।
বাগেরহাট: বাগেরহাটে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ ভাতা ও বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদত একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরেজমিনে বাগেরহাট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিদর্শনকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থীদের তালিকা ও বাজেটের বরাদ্দপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপগত্র সংগ্রহ করে দুদক।
দুদক টিম কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী এবং রিসোর্স পার্সনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের বাজেটের থেকে কম ভাতা/সম্মানী প্রদান করা হয় জানতে পারে এবং যানবাহনের তেল খরচ বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি।
লগ বই বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, ৩০ কি.মি. দুরুত্বের জন্য ১৫ লিটার তেলের ব্যবহার করা হয়েছে। ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতসহ অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

