বাংলাদেশ ভূরাজনৈতিকভাবে আরেকটি ফিলিস্তিন হওয়ার মতো অবস্থানে আছে, যেখানে ভারত আছে একটি নব্য ইসরাইলের ভূমিকায়। এ কারণেই বাংলাদেশকে তার নিজের নিরাপত্তার জন্যই বৈশ্বিক পরিসরে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান জানান দিয়ে যেতে হবে। এর মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশ তার নিজস্ব পরিচয় ও সক্ষমতা প্রকাশ করতে পারবে।
শনিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিলিস্তিন প্রসঙ্গ নিয়ে আয়োজিত এক সংলাপে এসব কথা বলেন বক্তারা। ‘নীতিগত অবস্থান থেকে চর্চায় রূপান্তর: বাংলাদেশের ফিলিস্তিন নীতির পুনঃপর্যালোচনা’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করে থিংক ট্যাংক প্রতিষ্ঠান আর্গু লজিক্যাল অ্যাক্ট পজিটিভ (আলাপ)।
সভায় বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ ওআইসির আলকুদস কমিটির সদস্য। গোটা মুসলিম বিশ্বের সব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ কারও শত্রু নয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে মুখ্য ভূমিকা পালন করা উচিত। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে বরাবরই সোচ্চার অবস্থান রাখছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে এই নীতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও পরিচয়ের স্বার্থ-বিবেচনায়ই গুরুত্বপূর্ণ।
রাজধানীতে এ সংলাপে উপস্থিত ছিলেন— নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল ইউসুফ (অব.), ফিলিস্তিন প্রত্যাগত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সটি অব প্রফেশনালসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতাউর রহমান তালুকদার, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর নাসিফ আবদুল্লাহ, লেখক ও গবেষক মঈনুল ইসলাম রাকীব, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম মিয়াজী, জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মিতু মনি, আলাপের আহ্বায়ক জাকারিয়া পলাশ প্রমুখ।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

