গোপালগঞ্জে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ৪৬ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।
হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও পেশাদার আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের সমন্বয়ে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে ঢেলে সাজানো এবং সংস্কার সাধন করতে হবে। কিন্তু এসব কাজে অন্তর্বতীকালীন সরকারের দুর্বলতা আশংকাজনক।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, এনসিপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সময় নিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সারা দেশ থেকে তাদের সন্ত্রাসীদের গোপালগঞ্জে জড়ো করেছে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগসমূহ কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে নাই। পাশাপাশি দিনে দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রশাসনের সামনে বোমা হামলাসহ নানান অস্ত্র সস্ত্র বহনকারীদের প্রতি স্থানীয় আইনশৃংখলা বাহিনীর নিস্ক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্যণীয়।
এতে প্রতীয়মান হয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে এখনো আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বিরাজ করছে। তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও পেশাদার আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের সমন্বয়ে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী সমূহকে ঢেলে সাজানো এবং সংস্কার সাধন করতে হবে। কিন্তু এসব কাজে অন্তর্বতীকালীন সরকারের দুর্বলতা আশংকাজনক।
বিবৃতি দেওয়া শিক্ষকরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহিব্বুল্লাহ, অধ্যাপক ড. কাজী মো. বরকত আলী, সাঈদ বিন কামাল চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান সাঈদী, মোহাম্মদ ফায়সাল, মাহমুদুর রহমান সাঈদী, ড. ইকবাল সরোয়ার, মোহাম্মদ সোহাইব, মিসবাহ উদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.খো. লুৎফুল এলাহী, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, ড. মো. মিজানুর রহমান, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শামসুজোহা, অধ্যাপক ড. আবু খায়ের মোকতাদিউল বারী চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মো. সোহাইবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মোমিনুর রহমান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মো: কবীর উদ্দিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এএফজি মাসুদ রেজা, ডুয়েটের শেখ মো. রোকনুল ইসলাম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, আইইউবিএটির অধ্যাপক ড. মো. মমতাজুর রহমান, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ড. মো. মনজুর হোসেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শাহ্ মো: তানভীর সিদ্দিকী, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ড. মো. শামিম মন্ডল, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের মো: আলমগীর কবীর রাজ্জাকী, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউছার আহমেদ, মো. লিমন হোসেন, ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির রাশেদ মাহমুদ, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহবুব আলম, আব্দুল বশির, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মো. সোহেল রানা, ড. শামীম হামিদী, মো. ইউসুফ আলী, আসাদুজ্জামান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান মাহমুদ সাকী, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিবুল ইসলাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহহিল বাকী, নিপসমের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছারোয়ার, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মো. জামিউল ইসলাম, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. জিল্লাল হোসাইন, ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের দিদার মুহাম্মদ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

