নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় ও মাঠ অফিসের সব স্তরের স্টাফদের (কর্মকর্তা-কর্মচারি) যথাসময়ে উপস্থিত এবং নির্ধারিত সময়ের পর অফিস ত্যাগ করার জন্য নিদের্শনা জারি করা হয়েছে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনসহ নির্বাচনের কাজ নিরবচ্ছিন্ন করার স্বার্থে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় সম্প্রতি এ নিদের্শনা আসে সচিবালয়ের নীতি-নির্ধারকদের পক্ষ থেকে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আমার দেশকে বলেন, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা পরের বছরের জুন এর মধ্যে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ কারণে প্রতিটি ক্ষণ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিয়মিত অফিসে আসেন এবং অফিস সময়ের পর বের হয়ে যান। কিন্তু আরেকটু সচেতন এবং কাজে উজ্জেবিত রাখার জন্য কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় একটা নিদের্শনা দেয়া হয়েছিল। এটাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারিতে বিলম্বে অফিসে আসা এবং নির্ধারিত সময়ের আগে অফিস ত্যাগ করার কারণে শোকজ করা হয়েছে। এ খবরটি সঠিক নয়। কাউকে দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য নিদের্শনা দেয়ার মানে তো শোকজ করা নয়; যোগ করেন প্রশাসন সাভির্সের এই সিনিয়র কর্মকর্তা।
মাসিক সমন্বয় সভায় দেয়া নিদের্শনার পরও অনেকে যথাসময়ে অফিসে আসতে পারছেন না। এমন কর্মকর্তা-কর্মচারির সংখ্যা প্রায় একশ। এ বিষয়ে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের জনবল শাখার উপসচিব খোরশেদ আলম বিলম্বে অফিসে আসা স্টাফদের সর্তক করে চিঠি ইস্যু করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, আপনি বা আপনার বিলম্বে অফিসে উপস্থিতির কারণে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিত) বিধিমালা, ২০১৯ এর বিধি ৫ অনুসারে কিছুটা নিয়মের ব্যত্যয় হয়েছে। বিলম্বে অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

