দেড় কোটি মানুষের ঈদযাত্রা সন্তোষজনক: সড়কমন্ত্রী

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

দেড় কোটি মানুষের ঈদযাত্রা সন্তোষজনক: সড়কমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ফাইল ছবি

ঈদযাত্রায় দেড় কোটি মানুষের যাতায়াত, প্রায় ৮০ লাখ কোরবানির পশু পরিবহন এবং সড়ক, রেল ও নৌপথে বাড়তি চাপের মধ্যেও সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত ভাড়ায় ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন এবং নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার একটি ভালো ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার সার্বক্ষণিকভাবে ঈদযাত্রা পর্যবেক্ষণ করছে। যমুনা সেতুর আগে চন্দ্রা এলাকায় কিছু যানজট ও ধীরগতি থাকলেও সেটিকে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য, সাত লেনের যানবাহন দুই লেনে প্রবেশ করায় সেখানে গাড়ির গতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, বিআরটিএর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ভাড়ায় মানুষ বাড়ি ফিরতে পারছেন। দুই-তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন, একই সময়ে প্রায় ৮০ লাখ কোরবানির পশুও পরিবহন করতে হচ্ছে। পরিবহন খাতের সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, কাউন্টার ও বাসস্ট্যান্ডের বাইরে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। যাত্রীদের তাড়াহুড়োকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। তবে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জরিমানাও করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রেলপথে নারীদের জন্য বিশেষ কোচ সংযোজনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটের তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে বিশেষ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। তবে সব ট্রেনে এখনই এ ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি, কারণ অধিকাংশ টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে এবং পর্যাপ্ত কোচও নেই। ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ৫১টি কোচ সংযোজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানোর কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কথা বলতে হবে। যারা সেখানে ইজারা দিয়েছে এবং টাকা নিয়েছে, দায় তাদের।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...