আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ঈদের দিন সারা দেশে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস

স্টাফ রিপোর্টার

ঈদের দিন সারা দেশে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে দেশে আগামী শুক্রবার কিংবা শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হতে পারে। এ দুদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও দমকাসহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটি বলছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনসহ আগামী পাঁচদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার রাতে আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক আমার দেশকে বলেন, আগামী পাঁচদিন সারা দেশে কমবেশি বৃষ্টি হবে। তবে আগামী শুক্র ও শনিবার বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২২ মার্চ থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমে আসতে পারে। তিনি বলেন, ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও লাগাতার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় আগামী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বুলেটিনে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এর প্রভাবে বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এতে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

এ পূর্বাভাসের মধ্যেই গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আকাশে বৃষ্টিবলয় গোধূলি সক্রিয় থাকায় সন্ধ্যার দিকে রাজধানী ও তার আশপাশের এলাকায় ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। সন্ধ্যার এ বৃষ্টিপাতের কারণে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরলেও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করে। আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ বৃষ্টির বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক আমার দেশকে বলেন, আগামী ২০ থেকে ২১ মার্চ সারা দেশেই বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। মার্চ থেকে মে মাস নাগাদ কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিপ্রবণ মৌসুম হিসেবে এ সময়ে দেশে প্রতি বছর বজ্রপাতে ৩০০ থেকে ৪০০ লোকের মৃত্যু হয়। এ থেকে বাঁচতে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন