আজ রোববার জানা যাবে আগামী তিন মাসের আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির পূর্বাভাস। পাশাপাশি গত জুলাই মাসে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি কেমন ছিল, তার বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হবে। আজ দুপুর ২টায় দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় বসছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সভায় সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে আগামী তিন মাসে দেশের আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতি কেমন থাকবে, সে বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রও পৃথক সভা করে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেবে বলে জানা গেছে।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বর্ষাকাল হিসেবে চলতি মাসে সারা দেশেই কমবেশি বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে, আর ৪–৫ তারিখের দিকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। তিনি জানান, দুপুর ২টার সভা শেষে আগামী তিন মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হবে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক সহকারী প্রকৌশলীও একই তথ্য দিয়ে জানান, সংস্থাটি সভা করে আজই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রকাশ করবে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত জুলাই মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। মাসের শুরুতে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও বাস্তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি বর্ষণ হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে।
চলতি আগস্ট মাসের শুরুতে প্রকাশিত পূর্বাভাসেও দেখা যাচ্ছে, একই প্রবণতা অব্যাহত থাকার আভাস। আগস্ট মাসে দেশের অতি বন্যাপ্রবণ এলাকায় মৌসুমি বন্যা হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ভারি বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১ জুলাই প্রকাশিত তিন মাসের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, আধুনিক প্রযুক্তি, আবহাওয়ার বিন্যাস, বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মানচিত্র এবং জলবায়ু মডেল অনুসরণ করে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। যদিও বাস্তবে জুলাইয়েই তা ছাড়িয়ে গেছে। এখন আজকের সভার পর জুলাইয়ের প্রকৃত চিত্র এবং আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর—এই তিন মাসের হালনাগাদ পূর্বাভাস প্রকাশিত হলে বৃষ্টিপাত ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আরও স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


