ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোধোদয় হোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোধোদয় হোক

বিশ্ববিদ্যালয়কে একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সুযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ ছাড়া যে তা সম্ভব নয়, সে কথা প্রায় সবগুলো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দেরিতে বুঝলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজও বুঝতে চাইছে না। শুধু মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, সে বিষয়টি অন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেরিতে হলেও বুঝেছে। প্রথমে সাহস করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম উপাচার্য শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা সংশোধন করে সিন্ডিকেটে আইন পাস করে মৌখিক পরীক্ষার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন, ডেমো ক্লাস প্রভৃতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ শুরু করেন। পরে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় একই প্রক্রিয়ায় শিক্ষক নিয়োগ শুরু করে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখনো এ বিষয়টি আমলে নেয়নি।

বিজ্ঞাপন

এমপিওভুক্ত কলেজ, সরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এমনকি সরকারি প্রাইমারি স্কুলেও শিক্ষক নিয়োগে যেখানে লিখিত পরীক্ষার বিধান প্রচলিত আছে, সেখানে যে সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডি, এমফিল, মাস্টার্স, অনার্স প্রভৃতি ডিগ্রি দেওয়া হয়, সেখানে শুধু একটি মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া কতটা যৌক্তিক? পাশ্চাত্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত সময় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক হতে হলে শুধু উচ্চতর ডিগ্রি বা ভালো রেজাল্ট থাকলেই হয় না। আবেদনকারীকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে তারপর শিক্ষকতার চাকরি পেতে হয়। এ ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীকে প্রথমে ‘জব টক’ দিতে হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের ফ্যাকাল্টি এবং সিনিয়র ও গবেষণা শিক্ষার্থীরা তাকে প্রশ্ন করে তার বিষয়বস্তুর ওপর জ্ঞানের গভীরতা যাচাই করেন। একই সঙ্গে তার উপস্থাপনার ভঙ্গিমা, বিশ্লেষণ দক্ষতা এবং উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর জ্ঞানের গভীরতা যাচাই করা হয়।

এরপর প্রার্থীকে বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে এক এক করে সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হয়, যারা তার গবেষণা পরিকল্পনা বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তার প্রকাশিত গবেষণাকর্মের তালিকা দেখেন। এরা এসব দেখে এবং বিচার-বিশ্লেষণ করে বিভাগীয় সভাপতিকে প্রার্থী সম্পর্কে রিপোর্ট দেন। পরে বিভাগীয় সভাপতি প্রার্থীর সঙ্গে তার একাডেমিক যোগ্যতা ও পারফরম্যান্স বুঝতে বৈঠক করেন। তাকে নিয়োগ দিলে বিভাগে তিনি কী ধরনের একাডেমিক অবদান রাখতে পারবেন, তাও পরীক্ষা করেন। সবকিছু ইতিবাচক হলে প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। তারপরও চাকরিতে যোগদান করে পড়ানো শুরু করলেও তার পদ স্থায়ী করা হয় না। সেমিস্টার শেষে স্টুডেন্ট ইভালুয়েশন রিপোর্ট এবং প্রকাশিত গবেষণার সংখ্যা ও গুণগত মান বিবেচনা করা হয়। সেসব সন্তোষজনক না হলে তিনি শিক্ষকতায় টিকে থাকতে পারেন না। ফলে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর একজন শিক্ষক প্রচণ্ড একাডেমিক চাপে থাকেন। অনেকের সে চাপ মোকাবিলা করতে না পেরে শিক্ষকতা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাওয়ার নজির আছে।

শিক্ষক নিয়োগে এ দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখনো শুধু একটি মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সনাতনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। ফলে এ ক্ষেত্রে যোগ্য একাডেমিক বাছাই করা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। এ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বার্থ, দলীয় প্রভাব, গোপন রাজনৈতিক সুপারিশ এবং নানা ফাঁকফোকর গলে অনেক কম যোগ্য আবেদনকারী এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের সুযোগ পান। তুলনামূলক এসব কম যোগ্যরা যখন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন, তাদের অনেকেই লেখাপড়ার চেয়ে বর্ণদলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে পড়েন। পদোন্নতির জন্য প্রকাশনার দরকার হলে তারা অন্যদের শরণাপন্ন হন। পাঁচ-সাতজন মিলে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ নকল করে প্রবন্ধ প্রকাশ করে পরে ধরা পড়েন। আবার অন্যদিকে, এদের শ্রেণিকক্ষের পারফরম্যান্সও ভালো হয় না। তাদের অনেকে ভালো করে ক্লাসও নিতে পারেন না। এ কারণে ক্রমান্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানের সূচকে বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে পড়ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ১৯৭৩ সালের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ/আইন অনুযায়ী চলার কথা, তা চলছে কি? এ আইনে যেভাবে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার কথা, সেভাবে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে কি? পদে পদে এ আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় যে আইন মেনে চলতে পারছে না, সে আইন কি তাদের যুগোপযোগী করা উচিত নয়? কই, তা করা হয়েছে কি? বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে, কিন্তু তাদের দায়িত্বশীলতা সুনিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে শিক্ষকদের অনেকে ইচ্ছা হলে অনেক সময় ক্লাসে যাচ্ছেন না। অনেক শিক্ষক সময়মতো পাঠ্যক্রম শেষ করতে পারছেন না। ফলে সেশনজট তৈরি হচ্ছে। স্টুডেন্ট ইভালুয়েশন পদ্ধতি চালু না থাকায় শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে মনোযোগী হচ্ছেন না। এতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ-পদবি ও সুযোগ-সুবিধার বণ্টন দলীয় পরিচিতির পরিমাপকেই করা হচ্ছে। রাজনৈতিক স্বার্থ ছাড়া কোনো কাজ আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পাদিত হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু না করায় ডাকসুর পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা সম্প্রতি অনলাইনে চালু করা হয়েছে। এ কাজটি অবশ্যই ডাকসুর নয়।

ডাকসু এ কাজ করলে তা নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে বলে মনে করা যায় না। কারণ, নাম না বললেও সবাই জানেন যে ডাকসুতে এখন একটিমাত্র দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রাধান্য রয়েছে। সে দলের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষক মূল্যায়নের কাজ করলে এদের মুরব্বি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের যেভাবে এ দলের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা মূল্যায়ন করবেন, অন্য দলীয় পরিচয়ধারী শিক্ষকদের কি একইভাবে মূল্যায়ন করবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ করা যায়। ঢাবি প্রশাসনের উচিত এমনভাবে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা, যাতে শিক্ষার্থীরা গঠনমূলক এবং নির্মোহভাবে মূল্যায়নের কাজটি করতে পারেন। তবে শুধু শিক্ষক মূল্যায়ন করলেই তো হবে না। যাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন পরপর কয়েক সেমিস্টার দুর্বল আসবে, তাদের জন্য কী শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, সে বিষয়টিও পরিষ্কার করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষকরা সবাই একরকমভাবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমান আচরণ করেন না। সংখ্যায় কম হলেও এমন কিছু শিক্ষক আছেন, যারা সব শিক্ষার্থীকে সমান চোখে দেখেন না। এরা অনেক সময় দু-একজন শিক্ষার্থীকে আগে থেকে টার্গেট করে বিভাগে শিক্ষক হিসেবে ঢোকাতে চেষ্টা করেন। তাদের যেভাবেই হোক বিভিন্ন কলাকৌশলে ভালো রেজাল্ট করিয়ে বিভাগে ঢোকাতে প্রয়াস নেন। আবার কাউকে টার্গেট করে সে শিক্ষার্থী যেন কিছুতেই ভালো জিপিএ না পান, সেজন্য তাকে ভিন্নভাবে ট্রিট করা হয়। তার টিউটোরিয়াল, মৌখিক পরীক্ষা এবং পরীক্ষার খাতায়ও হয়তো একটু ভিন্নভাবে তাকে মূল্যায়ন করা হয়। এর চেয়ে বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। অত্যন্ত কম হলেও এমন শিক্ষক যে নেই, তা বলা যায় না। এ রোগ পুরোনো। আইনের মেধাবী ছাত্র প্রফেসর ড. সলিমুল্লাহ খানকে তার মৌখিক পরীক্ষায় ২৫-এর মধ্যে ৮ নম্বর এবং পরিসংখ্যানের ড. আনোয়ার জোয়ার্দার, যিনি পৃথিবীর ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন, তাকেও মাস্টার্স পরীক্ষায় একইভাবে ভিকটিমাইজ করা হয়েছিল।

একাডেমিয়ার এ পুরোনো রোগ নিরসনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম উপাচার্য একটি আইন পাস করেছেন। এ আইন অনুযায়ী কোনো পরীক্ষার্থী কোনো কোর্সের প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হয়ে সংক্ষুব্ধ হলে তিনি একটি ফরম পূরণ করে নির্ধারিত ফি দিয়ে তার পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ করে তা পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ব্যবস্থা নেই। এ কারণে রাজনৈতিক বা অন্য যেকোনো কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে কোনো শিক্ষক টিউটোরিয়াল, অ্যাসাইনমেন্ট বা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কিংবা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে ভিকটিমাইজ করার সুযোগ পান। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসিরও চিন্তাভাবনা করা উচিত।

বর্তমান নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিদায়ের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে ডজনাধিক সংস্কার কমিশন করলেও জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কোনো কমিশন গঠন করেনি। ফলে সংবিধান, বিচার, প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু সংস্কার হয়েছে এবং সংস্কারের প্রক্রিয়া চলমান আছে। কিন্তু ধ্বংসের কার্নিশে উপনীত শিক্ষাব্যবস্থার কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কার করা হয়নি। বিএনপি সরকার গঠিত হওয়ার পর শিক্ষাব্যবস্থার নিম্নপর্যায়ে, বিশেষ করে প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি পর্যায়ে শিক্ষা কারিকুলামে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, উচ্চশিক্ষাঙ্গনে কোনো সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সরকার যদি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংস্কার করতে চায়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তির চর্চা বন্ধ করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ/আইন প্রয়োজনে যুগোপযোগী করতে হবে। সরকার চাইলে তা করতে পারবে। কারণ, সরকারের এ সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এ বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে, শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি নিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভাবমূর্তি বৃদ্ধির জন্য আরো কী কী করা দরকার, সেসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটি তো স্বীকার করবে যে, সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল না মিলিয়ে শিক্ষক নিয়োগ শুধু একটি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে গ্রহণ করার কাজটি বিবেচনাপ্রসূত হচ্ছে না। ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে না পারলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান এবং অবদানমূলক গবেষণার কাজেও বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে পড়বে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা আশা করব, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও সে পথ অনুসরণ করবে। আশা করা যায়, যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বোধোদয় হবে।

লেখক: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

akhtermy@gmail.com

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন