শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা

শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার থেকে বাংলাদেশের  শিক্ষা

বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে শ্রীলঙ্কাকে আবার উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বিস্ময়কর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। স্বাধীনতার পর দেশটি সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে ২০২২ সালে। কিন্তু ২০২৫ সালেই প্রায় ৫ শতাংশ প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং মাথাপিছু ৪,৬৭০ মার্কিন ডলার মোট জাতীয় আয় অর্জনের মাধ্যমে সংকটের সময় হারানো উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেছে শ্রীলঙ্কা।

বিজ্ঞাপন

দেশটির এই দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য, বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। যদিও দুই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এক নয়, তবু শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে, দৃঢ় নেতৃত্ব, বিচক্ষণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে গভীর জাতীয় সংকট থেকেও একটি দেশের প্রতি জনগণ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

বিস্ময়কর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার

২০২২ ও ২০২৩ সালে বৈদেশিক লেনদেনের মারাত্মক সংকট, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র ঘাটতি এবং সার্বভৌম ঋণ খেলাপির ফলে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশটি সেই নিম্নগতি কাটিয়ে আবার প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসে। এই চমকপ্রদ পুনরুদ্ধারের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করেছে।

প্রথমত, শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর সঙ্গে ছিল কিছু কঠিন কিন্তু অপরিহার্য সংস্কার, যার মধ্যে কর বৃদ্ধি, বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর মুদ্রানীতি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাঠামোগত সংস্কার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

দ্বিতীয়ত, সরকার দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতা দেশ এবং আন্তর্জাতিক বন্ডধারীদের সঙ্গে সফল আলোচনার মাধ্যমে বৈদেশিক ঋণের পুনর্গঠন সম্পন্ন করে। এর ফলে তাৎক্ষণিক ঋণ পরিশোধের চাপ কমে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণখেলাপি পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

তৃতীয়ত, করোনা মহামারি ও অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্রায় ধ্বংস হওয়া পর্যটন খাত দ্রুত পুনরুজ্জীবিত হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে এই খাত আবার অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। অন্যদিকে, প্রবাসী শ্রীলঙ্কানদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পায়, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ কমিয়ে আনে। পাশাপাশি, কঠোর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ মুদ্রানীতির ফলে ২০২২ সালের অস্বাভাবিক উচ্চ মূল্যস্ফীতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

অর্থনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশটি নতুন দুর্নীতি দমন আইন প্রণয়ন করেছে, যার মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা বেড়েছে এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য শক্তিশালী আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

বর্তমানে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলকভাবে তাদের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করতে হয়। ফলে অবৈধ সম্পদ গোপন করা আগের তুলনায় কঠিন হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন সম্পদ পুনরুদ্ধার আইন কর্তৃপক্ষকে দুর্নীতি ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা দিয়েছে।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং পক্ষপাতিত্বের সুযোগ কমাতে সরকার নতুন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং কঠোর তদারকির ফলে কর ও শুল্ক প্রশাসনের রাজস্ব আদায় বেড়েছে, কমেছে ঘুস ও রাজস্ব ফাঁকি।

চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে

অসাধারণ এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কার সামনে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ এখনো অনেক বেশি। সংকট-পূর্ব সময়ের তুলনায় বেড়েছে করের বোঝাও। অন্যদিকে নিম্ন আয়ের বহু পরিবার এখনো জীবনযাত্রার উচ্চব্যয়ের সঙ্গে লড়াই করছে। অতএব, দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রীলঙ্কাকে কঠোর রাজস্ব শৃঙ্খলা, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, ধারাবাহিক কাঠামোগত সংস্কার এবং পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বজায় রাখতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আরেকটি অর্থনৈতিক সংকটের ঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়।

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের জনগণ যে আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটিয়েছে, তার মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক নিপীড়ন, দুর্নীতি, শোষণ, চাঁদাবাজি, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে জাতীয় মর্যাদা, ন্যায়বিচার, সাম্য এবং জনকল্যাণ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য একাধিক মূল্যবান শিক্ষা বহন করে।

প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলোÑসংকট নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হলো ব্যাংক খাতে ব্যাপক ও কার্যকর সংস্কার। এর মধ্যে আছেÑঅভ্যাসগত ঋণখেলাপিদের নতুন ঋণ প্রদান বন্ধ করা, খেলাপি ঋণ দ্রুত পুনরুদ্ধার করা, রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশেষ গোষ্ঠীর সুবিধার ভিত্তিতে ঋণ অনুমোদনের সংস্কৃতি বন্ধ করা, জাল বা ভুয়া নথির মাধ্যমে ঋণগ্রহণ প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।

পাশাপাশি, জনগণের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। আমানতকারীদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, তাদের সঞ্চিত অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। ব্যাংকগুলো অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইন ও আর্থিক বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সততা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয় শিক্ষা হলোÑবিচক্ষণ ঋণ ব্যবস্থাপনা। সরকারের অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ঋণগ্রহণ একটি টেকসই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। অতিরিক্ত সরকারি ঋণগ্রহণের ফলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়, আর্থিক বাজার দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে, অবৈধভাবে অর্জিত বা অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার (কালো টাকা সাদা করার) নীতি স্থায়ীভাবে পরিত্যাগ করা উচিত। কারণ, এ ধরনের ব্যবস্থা দুর্নীতিকে উৎসাহিত এবং সৎ করদাতাদের প্রতি অবিচার করে।

তৃতীয় শিক্ষা হলোÑকরব্যবস্থার সংস্কার। বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এশিয়ার সর্বনিম্নগুলোর একটি। তুলনামূলক শ্রীলঙ্কায় এই হার ১৩ দশমিক ৭, ভারতে ১৩ দশমিক ৫ এবং পাকিস্তানে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। করের হার বৃদ্ধি না করেও করদাতার সংখ্যা বাড়ানো, কর প্রশাসনের দক্ষতা উন্নত করা এবং কর ফাঁকি কমানোর মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় নিয়োগ অবশ্যই যোগ্যতা, সততা এবং পেশাগত দক্ষতার ভিত্তিতে হতে হবে।

দুর্নীতি বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ

টেকসই উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা হলো দুর্নীতি। দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অনিশ্চিত থেকে যাবে। সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা ছাড়া বাংলাদেশ কখনোই একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সত্যিকার অর্থে স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যাতে রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যবসায়িক প্রভাব কিংবা প্রশাসনিক ক্ষমতা নির্বিশেষে যেকোনো দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত করা সম্ভব হয়। কমিশনের কার্যক্রম ও তদন্তের ফল নিয়মিত জনগণের সামনে প্রকাশ করা উচিত, যাতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস সুদৃঢ় হয়।

প্রশাসনিক সংস্কার

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বরাবরই একটি ক্ষুদ্র সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করেছে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও কল্যাণকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। তাই একটি মৌলিক প্রশাসনিক সংস্কার অপরিহার্য, যার কেন্দ্রবিন্দু হবে জনগণের সেবা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা—ক্ষমতা ও পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর শাসনব্যবস্থা নয়।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় পূর্ণ স্বচ্ছতা, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং সরকারি ব্যয়ের উন্মুক্ত তথ্যপ্রকাশ ঘুস, অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ও প্রশাসনিক হয়রানি কমাতে পারে। একই সঙ্গে এসব উদ্যোগ সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করবে।

অর্থনীতির বহুমুখীকরণ

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরো বহুমুখী করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে দেশের অর্থনীতি অতিমাত্রায় তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর নির্ভরশীল। এই একমুখী নির্ভরতা বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনের কারণে বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই ওষুধশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, জাহাজ নির্মাণ এবং অন্যান্য জ্ঞানভিত্তিক শিল্পে আরো বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবসম্পদে বিনিয়োগের মাধ্যমে শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতা বাড়তে হবে। এর ফলে বিদেশে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং রেমিট্যান্স আয়ও বাড়বে।

সবচেয়ে বড় শিক্ষা

শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলোÑসুশাসন একটি দেশের জন্য সঠিক অর্থনৈতিক নীতির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্বল সরকারি অর্থব্যবস্থা, ভুল নীতিনির্ধারণ এবং সুশাসনের অভাব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সম্ভাবনাময় অর্থনীতিকেও বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। অন্যদিকে, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান, আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক সংস্কার জনগণ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন করতে পারে এবং একটি দেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে ফিরিয়ে আনতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সাফল্য নির্ভর করবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব, কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন এবং দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের ওপর। যদি আমরা এগুলো করতে পারি, তবে বাংলাদেশও শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য একটি সফল অর্থনৈতিক রূপান্তরের উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।

লেখক: অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের ইমেরিটাস অধ্যাপক, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের প্রবাসী ফেলো এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাবেক উপাচার্য

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন