চব্বিশের জুলাই-আগস্ট বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক সংবেদনশীল সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। দারিদ্র্য হ্রাস, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল রূপান্তরের মতো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হলেও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এখন প্রয়োজন আরো গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা। এই প্রেক্ষাপটে একটি মৌলিক সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—আর তা হলো একটি পেশাদার, দক্ষ, নিরপেক্ষ, নৈতিক এবং জবাবদিহিমূলক আমলাতন্ত্র ছাড়া টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
পলিটিকস-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তাত্ত্বিক ও প্র্যাকটিশনাররা মনে করেন, পলিটিকস এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আমলাতন্ত্র) মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। পলিটিক্যাল মাস্টাররা (রাজনীতিবিদ) তাত্ত্বিকভাবে নীতির উদ্যোক্তা আর বাস্তবিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামোয় আমলাতন্ত্র হলো কার্যত নীতির ধারক ও বাহক। রাজনৈতিক নেতৃত্ব নীতির দিকনির্দেশনা দেয়, কিন্তু সেই নীতিকে বাস্তবতায় রূপ দেয় প্রশাসন। ফলে আমলাতন্ত্রের পেশাদারিত্ব সরাসরি উন্নয়নের গতি, গুণগত মান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্রকে প্রভাবিত করে। উন্নয়ন অর্থনীতির গবেষণায়ও দেখা যায়, যেসব দেশে প্রশাসন মেধাভিত্তিক ও দক্ষ, সেসব দেশে নীতি বাস্তবায়ন দ্রুত, সেবা প্রদান কার্যকর এবং দুর্নীতি তুলনামূলকভাবে কম।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটি দ্বিমাত্রিক। একদিকে রয়েছে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো, যেখানে মেধাভিত্তিক নিয়োগের ব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্তু অন্যদিকে রয়েছে পদোন্নতি, পদায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবের বাস্তবতা। এর ফলে দক্ষতা ও দায়িত্বের মধ্যে একটি বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়, যা নীতি বাস্তবায়নে বিলম্ব, অপচয় এবং কখনো কখনো বৈষম্য সৃষ্টি করে।
দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই বিচ্ছিন্নতা দূর করা অপরিহার্য। এজন্য দরকার পেশাদার আমলাতন্ত্র। আর পেশাদার আমলাতন্ত্রের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। উন্নয়ন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি কোনো এক সরকারের মেয়াদে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় ‘স্থায়ী সিভিল সার্ভিস’ ধারণা এই ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। সরকার পরিবর্তন হলেও প্রশাসন একই পেশাদার মানদণ্ডে কাজ চালিয়ে যায়। ফলে দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এই ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অবকাঠামো, শিক্ষা বা স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন বহু বছর ধরে চলমান থাকে।
দ্বিতীয়ত, পেশাদার আমলাতন্ত্র নীতিনির্ধারণে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ যুক্ত করে। আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় তথ্য ও বিশ্লেষণের গুরুত্ব অপরিসীম। সিঙ্গাপুরের উদাহরণ এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সেখানে উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ সিভিল সার্ভিস ডেটা ও গবেষণার ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন করে। যার ফলে সিদ্ধান্তগুলো হয় বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ বা জনস্বাস্থ্যের মতো জটিল ইস্যুতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও বিশ্লেষণ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
তৃতীয়ত, সেবা প্রদানের দক্ষতা ও মান উন্নয়নে পেশাদার আমলাতন্ত্রের ভূমিকা অপরিহার্য। নাগরিকের কাছে রাষ্ট্রের কার্যকারিতা প্রতিফলিত হয় সেবার মাধ্যমে—ভূমি সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে। এস্তোনিয়ার প্রশাসনিক সংস্কার দেখিয়েছে কীভাবে প্রযুক্তিনির্ভর এবং দক্ষ আমলাতন্ত্র সেবা প্রদানকে দ্রুত, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে পারে। বাংলাদেশের ডিজিটাল উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যে একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে সেই ভিত্তিকে কার্যকর করতে হলে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ ও সুসংগঠিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।
চতুর্থত, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় পেশাদার আমলাতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুইডেনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত তথ্যপ্রবাহ ও শক্তিশালী জবাবদিহি কাঠামোর জন্য পরিচিত। সেখানে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নথিপত্র নাগরিকের জন্য উন্মুক্ত, যা দুর্নীতি কমাতে সহায়ক। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তথ্য অধিকার আইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করে প্রশাসনের পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মানদণ্ডের ওপর।
পঞ্চমত, সংকট মোকাবিলায় দক্ষ আমলাতন্ত্র অপরিহার্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা অর্থনৈতিক ধাক্কা—এসব পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন হয়। জাপানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা নিউজিল্যান্ডের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রশাসনের দক্ষতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য একটি প্রস্তুতিমূলক ও দক্ষ প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ষষ্ঠত, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে পেশাদার আমলাতন্ত্রের ভূমিকা সুস্পষ্ট। দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা দেখায় যে দক্ষ প্রশাসন বিনিয়োগ সহজীকরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশেও অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্পায়নের গতি বজায় রাখতে হলে প্রশাসনিক দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।
এসব প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য কিছু নীতিগত অগ্রাধিকার স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথমত, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে মেধা এবং কর্মদক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা জোরদার করতে হবে। তৃতীয়ত, পারফরম্যান্সভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করে দক্ষতা ও জবাবদিহির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। চতুর্থত, বিশেষায়ন ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। পঞ্চমত, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ে তুলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা এবং গতি আনতে হবে।
কিন্তু আমরা গত ১৬ বছর দেশে এর কোনোটিই দেখতে পাইনি। বিসিএস ক্যাডারের নিয়োগকে রাজনীতিকরণের জন্য ভাইভায় ২০০ নম্বর যুক্ত করে শুরুতেই নিয়োগ পদ্ধতিকে ‘রাজনীতিকীকরণ’ করা হয়েছে। বিগত ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অনুসন্ধান এবং তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬ বছরে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। ৩৯ জন কর্মকর্তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ৫৬৪জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে।’ আওয়ামী লীগ নেতা এইচ টি ইমাম ‘দলীয় প্রার্থীদের’ চাকরিতে নিয়োগের নিশ্চয়তার ঘোষণাই তো দিয়েছিলেন। ‘আবেদ আলী’ ক্যাডার নামেও এখন প্রবাদ শুরু হয়েছে। আর পদোন্নতি এবং পদায়নে ‘দলীয়করণের নগ্ন দৃশ্য’ প্রশাসনে বহুল আলোচিত। ফলে বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র বিশেষ করে ‘প্রশাসন ক্যাডার’ ও ‘পুলিশ ক্যাডার’ হয়ে যায় ‘আওয়ামী তন্ত্র’। ধূলিসাৎ হয় আমলাতন্ত্রের পেশাদারিত্ব।
এ অবস্থা থেকে কি বর্তমান সরকার বেরিয়ে আসতে পারবে? সম্প্রতি একটি সহযোগী পত্রিকায় প্রকাশ ‘আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও নোটিস বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি। শুধু টেলিফোন করে ডেকে এনে দুই ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগের জন্য প্রায় ৯০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।’ (সমকাল ১৬ এপ্রিল ২০২৬) ডিসি নিয়োগের ফিটলিস্ট তৈরির প্রচলিত নিয়ম মানা হয়নি। পছন্দের কর্মকর্তাদের শুধু ডাকা হয়েছে। বিতর্কিত কর্মকর্তারাও ডাক পেয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। ডিসি ফিটলিস্ট প্রণয়ন কমিটির একজন সদস্যের বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়—‘ডিসি নিয়োগের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়। তাই রাজনৈতিকভাবে যেভাবে সিদ্ধান্ত আসে, সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’ এই বক্তব্যে মধ্যে আমরা ভয়ংকর আওয়ামী রাজনীতিকীকরণের প্রতিধ্বনি শুনতে পাই। শুধু ডিসি নিয়োগের জন্য ফিটলিস্ট তৈরি নিয়ে নয়; অন্যান্য পদেও পদোন্নতি ও পদায়নেও গুরুতর অনিয়মের এবং রাজনীতিকীকরণের অভিযোগও উঠেছে। অতীতের মতো এখনো সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের ওএসডির নামে ‘সংযুক্তি’তে রাখা এবং সচিবালয়ের বাইরে কম গুরুত্বপূর্ণ (ডাম্পিং পোস্ট) পদে পদায়ন করার অভিযোগও উঠছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে আবার ‘দলীয় ট্যাগ’ শুরু হয়েছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠছে।
স্বভাবতই এখন প্রশ্ন উঠছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পথেই কি তাহলে বর্তমান সরকার হাঁটছে? মেধা-পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিয়ে আমলাতন্ত্র সাজানোর কথা কি শুধুই বুলি? চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পরও কি কোনো পরিবর্তন হবে না? এ জন্য দায়ী কি শুধু পলিটিক্যাল মাস্টাররা? নাকি আমলাতন্ত্রের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ‘এক শ্রেণির’ অসৎ আমলা। পলিটিক্যাল মাস্টারদের বিষয়টিকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। ১৯৯৪ সালে শেষ হওয়া ‘সিভিল ওয়্যার’ ও ‘গণহত্যা’র মতো ঘটনার পর সর্বদিক দিয়ে বিধ্বস্ত রুয়ান্ডা যদি মাত্র তিন দশকের মধ্যে সুশাসনের দিক দিয়ে উন্নত দেশের কাতারে ওঠার স্বীকৃতি পেতে পারে; তাহলে পাঁচ দশকেও কেন বাংলাদেশ পারবে না? তাই ‘পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট’ পলিটিক্যাল মাস্টারদের পক্ষ থেকেই সবার আগে থাকতে হবে। ‘প্রশাসন ও পুলিশ আমলা’নির্ভরতা ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে পারে না। তা আমরা জুলাই বিপ্লবে জেনে গেছি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পলিটিক্যাল মাস্টারদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেই ‘পেশাদার আমলাতন্ত্র’ গঠনের এই কমিটমেন্ট দিতে হবে। উপযুক্ত সময় এখনই।
সবশেষে বলা যায়, টেকসই উন্নয়ন কোনো একক খাত বা উদ্যোগের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব নয়; এটি একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পেশাদার আমলাতন্ত্র সেই সক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা এখন এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করবে প্রশাসনের মান ও দক্ষতার ওপর।
অতএব, মেধা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, নৈতিকতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে একটি আধুনিক ও পেশাদার আমলাতন্ত্র গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। কারণ, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হয় তার প্রশাসনের গুণগত মান দ্বারা—আর সেই মানের মূল নির্ধারক হলো পেশাদারিত্ব।
লেখক : প্রফেসর, লোক প্রশাসন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

