আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে প্যানেলটি। এসময় মাত্র ৮টি কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর ভোট গ্রহণ সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ডাকসু নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এক বৈঠকে এ দাবি জানায় ছাত্রদল প্যানেল। বৈঠকে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান, জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম, এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদসহ অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি ও চিঠি দিয়েছি। চল্লিশ হাজার শিক্ষার্থীর ভোট নিতে মাত্র আটটি কেন্দ্র রাখা প্রায় অসম্ভব। প্রতিজন ভোটারকে ৪১টি ভোট দিতে হয়। এতে একজন ভোটারকে অন্তত ৫–১০ মিনিট সময় লাগবে। এ অবস্থায় সীমিত সংখ্যক কেন্দ্রে সব শিক্ষার্থী ভোট দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
তিনি আরো বলেন, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে কৃত্রিম লাইন তৈরি করে অনেক শিক্ষার্থীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। আমি নিজেও ভোট দিতে পারিনি। এবার আমরা চাই কমিশন যেনো শিক্ষার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ভোটের সুযোগ তৈরি করে।
এছাড়া, ভিপি প্রার্থী অভিযোগ করেন-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ, পেইজ ও প্রোফাইল ব্যবহার করে প্রার্থীদের নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নারী প্রার্থীদের হয়রানির ঘটনাও ঘটছে। এসব অপপ্রচারকারী পেইজ ও গ্রুপের একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে ছাত্রদল প্যানেল। তারা সতর্ক করে জানায়, এ ধরনের প্রচারণা বন্ধ না হলে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

