জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন।
রোববার রাতে দলটির আমিরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়—লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীরবিক্রম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমির পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূইয়া, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমির ফয়সল, এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও উত্তর উঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিসস্ট ড. ফয়জুল হকসহ আরো অনেক রাজনীতিবিদ শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন।
পোস্টে আরো বলা হয়—এছাড়াও বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ আরো অনেকেই বাসায় সাক্ষাৎ করতে আসেন এবং আমীরে জামায়াতের শারীরিক খোঁজখবর নেন।
খোঁজখবর নেওয়ার জন্য দেশের বরেণ্য এই রাজনীতিবিদদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান জামায়াত আমির।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে তার বসুন্ধরার বাসায় যান বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা।
তাদের মধ্যে ছিলেন- ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র নায়েবে আমির, ইসলামিক কানুন বাস্তবায়ন কমিটির আমির মাওলানা আবু তাহের জিহাদি আল কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, খেলাফত আন্দোলনের আমিরে শরিয়ত মুফতি আবু জাফর কাসেমী ও মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ নিজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, নায়েবে আমির আলহাজ রফিকুল ইসলাম বাবুল, সেক্রেটারি মুফতি নিয়ামত উল্লাহ ও সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মাদ হোসাইন আকন্দ।
তার আগে জামায়াত আমিরের অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান ফোন করে শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমানের চিকিৎসার জন্য যেকোনো সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান সেনাপ্রধান। এজন্য জেনারেল ওয়াকার উজ্জামানকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান জামায়াত আমির।
এদিকে শনিবার রাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।
জামায়াতের আমিরকে দেখে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে জামায়াতের আমিরকে দেখতে এসেছেন তিনি।
এর আগে শনিবার (১৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান দলটির আমির শফিকুর রহমান। পরে পাশে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। কিছুক্ষণ পর আবারও বক্তব্য দিতে গিয়ে পুনরায় অসুস্থ হয়ে গেলে তিনি বসেই বক্তব্য দেন। পরে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় যান জামায়াত আমির।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন






