তাকওয়াভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রসহ সবকিছুই কল্যাণকামী ও গণমুখী হয়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, তাকওয়াভিত্তিক সমাজ থেকে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, ফিৎনা, গীবত ও জেনা-ব্যভিচার সহ যাবতীয় অপরাধ প্রবণতা দূর হয়ে একটি শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে রিভাইভার স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ক্লাবের সভাপতি ডা. মু. মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হাসানুল বান্না চপলের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক শেখ আসলাম, ক্লাবের উপদেষ্টা ডা. ফকরুদ্দিন মানিক, মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, নাছির উদ্দীন, কারাতে ফেডারেশনের সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, মেজর আতিক, ড্রিম স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি ও রিভাইভার স্পোর্টিং ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দীন সজল, সহ-সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা, জয়েন্ট সেক্রেটারি এস এম আরাফাত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী, অর্থ সম্পাদক আবু তোরাব পান্না, আইন সম্পাদক মু. কবির হোসেন ও ক্রীড়া সম্পাদক রাসেল শেখ প্রমুখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ পরিসরে আন্দোলন করে যাচ্ছে। তিনি সে স্বপ্নের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে একদফায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমরা দেশে এমন একটি নিবেদিত প্রাণ জনগোষ্ঠী তৈরির জন্য দীর্ঘ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, যারা সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করবে। তারা সব সময় খারাপ কাজকে ঘৃণা করবে এবং ভালো কাজে অংশ গ্রহণ এবং ইতিবাচক কাজ করে গর্ববোধ করবেন। তারা ভালো দিয়ে মন্দকে দূরীভূত করার প্রচেষ্টা চালাবে। মানুষের মুক্তি ও কল্যাণই হবে তাদের ধ্যান, জ্ঞান ও জীবনের ব্রত। তারা দেশে একটি ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

