রমনা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব আলী বলেন, সম্প্রতি একটি ভ্রান্ত, পক্ষপাতদুষ্ট ও অনৈতিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা দলের আদর্শ, নৈতিকতা এবং দলীয় নৈতিকতা সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে দলের নেতৃবৃন্দের দীর্ঘকালীন ত্যাগ এবং অবদানকে অবমূল্যায়ন করে অবৈধভাবে স্বল্প পরিচিত নিজেদের পছন্দের সদস্যদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যা বিএনপির দলীয় সংবিধানের পরিপন্থী।
রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন এসব অভিযোগ করেন তিনি।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও রমনা থানা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করে রমনা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব আলী।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনুর বিরুদ্ধে করে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রফিকুল আলম মজনুর সততা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমন একজন ব্যক্তিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক করায় দলপর ভবিষ্যত এবং জনগণের প্রতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আশরাফুল ইসলামকে রমনা থানা বিএনপির আহ্বায়ক করা হয়েছে, অথচ তিনি দলের দূর্দিনে ২০১৮ সালে দলের আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে দল ত্যাগ করেছিলেন। অপরদিকে পুলিশ ইনফর্মার সাইদুজ্জামান শামীম হোসেনকে কোন বিবেচনায় ও যোগ্যতায় তাকে দলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ জানিয়ে চারটি দাবি তুলে ধরেন, অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ করে এই কমিটি বিলুপ্ত করবেন। ১৬/১৭ বছরের দলীয় সংগ্রাম ও ত্যাগের ভিত্তিতপ প্রার্থী তালিকা পুনরায় পর্যালোচনা করা হোক। প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরাতন, বিশ্বাসযোগ্য এবং সংগ্রামী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হোক। এবং নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং লিখিত মানদণ্ড অনুসারে। যারা দলের আস্থা ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করবে।
এই বিষয়ে ঢাকা মহানগরের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু আমার দেশকে বলেন, অনেকে থানা কমিটিতে পদ প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু আমরা নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিটি গুলো সাজিয়েছি। যারা পদ পাইনি তারা ক্ষোভে অনেক কথা বলছেন। আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে যারা আগের থানা কমিটিতে ছিলেন আগামীতে তাদের মহানগরের কমিটির দায়িত্বে নিয়ে আসা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

