দীর্ঘ তিন দশক অপেক্ষার পর আইসিসির কোনো ইভেন্ট আয়োজনের দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তান। সবশেষ ১৯৯৬ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের পর বড় কোনো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে দেশটি। লম্বা বিরতির পর এমন আয়োজন নিয়ে দেশটির ক্রিকেটকর্তাদের মধ্যে আছে বাড়তি উন্মাদনা। হয়েছে নানা সংস্কার কাজ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ পর্যায়ের। সব মিলিয়ে পিসিবি সভাপতি মহসিন নকভি ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনে পুরোপুরি প্রস্তুত।
এক বিবৃতিতে মহসিন নকভি বলেন, ‘আয়োজক দেশ হিসেবে আমরা অক্টোবরে আইসিসি সভায় নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। আয়োজক দেশের সব প্রতিনিধি সেটা দেখেছে। ওই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সভায় পাস হয়েছে। এই পরিকল্পনায় অংশগ্রহণকারী দল, ম্যাচ অফিসিয়াল ও দর্শকদের প্রয়োজনীয় সব প্রোটোকলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখন পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর হামলার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনে নির্বাসিত হয়ে পড়ে পাকিস্তান। এরপর অনেকটা কাঠখড় পুড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজ দেশে ফেরায় পিসিবি। পাশাপাশি নিয়মিতই দেশটিতে আয়োজন করা হচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ম্যাচ। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের কারণে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করা অনেকটা সহজ হয়েছে বলে জানান মহসিন নকভি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন সাফল্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিরিজ ও নিয়মিত পিএসএল আয়োজন করেছি তখনই আইসিসি আমাদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনের দায়িত্বভার দিয়েছে। আশা করি, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সফলভাবে আয়োজন করে ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করতে পারব। পরের আইসিসি চক্রে আরো টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারবে পাকিস্তান।’
এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনে সহযোগিতার জন্য পাকিস্তান সরকারকেও ধন্যবাদ দেন পিসিবি প্রধান নকভি। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। আমরা সরকারের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। সরকারকে এর জন্য ধন্যবাদ।’ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনে নিরাপত্তার পাশাপাশি অবকাঠামোগত পরিবর্তনও এনেছে পিসিবি। করাচি ও লাহোরের দুই মাঠের গ্যালারিতেও বেশ পরিবর্তন এনেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

