টেস্ট ক্রিকেটে দুই স্তর চালু নিয়ে আলোচনা চলছিল। এই স্তর কতটা কার্যকর হবে সেটা যাচাই করতে এবার ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এই ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই টেস্ট ক্রিকেটে দুটি স্তর চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা। আট সদস্যের ওয়ার্কিং কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করবেন আইসিসি নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত। অন্যতম সদস্য হিসেবে আছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ ও ইসিবির প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গোল্ড।
টেস্টে দুই স্তর চালু হলে বাংলাদেশসহ মাঝারি মানের দলগুলো জন্য সুবিধা পাবে না। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ র্যাংকিংয়ের নিচের দিকের দলগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাবে না। মূলত র্যাংকিংয়ে নিচের দিকে থাকা দলগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিতে না পারায় টেস্ট ক্রিকেটে দুটি স্তর চালুর কথা ভাবা হচ্ছে। তাতে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
টেস্ট ক্রিকেটে দুই স্তর চালু করা অবশ্য চ্যালেঞ্জিং হবে। কেননা, এই প্রক্রিয়া চালু করতে হলে ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশের দুই-তৃতীয়াংশের ভোট দরকার হবে। তবে সেটা কেউই চাইবে না। বর্তমান আইসিসি র্যাংকিং অনুযায়ী ছয় দল নিয়ে স্তর করলে শীর্ষস্তরে থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় স্তরে থাকবে বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

