এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আসন্ন ম্যাচের আগে পরিসংখ্যান কথা বলছে মিয়ানমারের হয়ে। এর আগে একবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যেখানে ৫-০ গোলে প্রতিবেশী দেশটির কাছে হেরেছে বাংলার মেয়েরা। আজ তাই ইতিহাস বদলানোর সুযোগ দলটির সামনে।
মিয়ানমারের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশ। বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাহরাইনকে পাত্তা দেয়নি শামসুন্নাহার জুনিয়র, রিতুপর্ণা চাকমারা- উড়িয়ে দিয়েছে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে। সে ম্যাচের পারফরম্যান্স মিয়ানমারের বিপক্ষে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে পিটার বাটলারের দলকে।
ভিন্ন কন্ডিশন ও অচেনা প্রতিপক্ষ- সব মিলিয়ে বাহরাইনের বিপক্ষে সে ম্যাচে কিছুটা চাপেই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চাপ সামাল দিয়ে উপহার দিয়েছে দুর্দান্ত ফুটবল। ম্যাচে দশম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। এরপর বাহরাইনকে চেপে ধরে বাকি সময়ে আরও ছয়বার করেছে গোল উৎসব। বিপরীতে বাংলাদেশের সামনে কিছুই করতে পারেনি অসহায় আত্মসমর্পন করা বাহরাইন।
বাহরাইনের বিপক্ষে এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশকে নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা করে মাঠ নামবে মিয়ানমার- সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বরে এএফসি উমেন্স অলিম্পিক কোয়ালিফাইং টুর্নামেন্টের ম্যাচটিতে বাংলাদেশকে বিধ্বস্ত করেছিল তারা। সে ম্যাচের পর কেটে গেছে প্রায় ৭ বছর। এই সময়ে অনেক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এসব বিষয় বিবেচনায় মিয়ানমারও হয়তো বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিয়ে ভুল করবে না।
মিয়ানমারের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য বাংলাদেশের একাদশ: রুপনা চাকমা, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার, আফইদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মনিকা চাকমা, স্বপ্না রাণী, মারিয়া মান্দা, তুহুরা খাতুন, ঋতুপর্ণা চামকা, শামসুন্নাহার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

