ক্যারিয়ারে আগে কখনো এমন সময়ের সাক্ষী হতে হয়নি লিওনেল মেসিকে। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলছেন তারকা ফরোয়ার্ড। ফ্লোরিডার ক্লাবটির হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমের শুরুর অভিজ্ঞতাটা ভালোই ছিল তার। যদিও সাম্প্রতিক সময়টা যেভাবে যাচ্ছে, সেটাকে করুণ না বলে উপায় নেই। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে মিয়ামি। এক ড্রয়ের বিপরীতে বাকিটাতে পেয়েছে জয়ের দেখা। মেসি যে দলে আছেন, সেখানে অন্তত এমন পরিসংখ্যান বেমানান। সবশেষ ১৯ মে বাংলাদেশ সময় সকালে মেজর লিগ সকারে অরলান্ডো সিটির কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে মিয়ামি।
নামে-ভারে অরলান্ডোর চেয়ে কোনো অংশেই কম নয় মিয়ামি। দলে মেসি ছাড়াও আছেন লুইস সুয়ারেজ, জর্ডি আলবা, সার্জিও বুসকেটসদের মতো একঝাঁক তারকা ফুটবলার। তাই এভাবে তাদের ব্যর্থতার দুষ্টচক্রে আটকে থাকাটা মেনে নিতে পারছেন না ভক্তরা। বিশেষ করে অরলান্ডোর কাছে হারটা একটু বেশিই ক্ষত সৃষ্টি করেছে অনুরাগীদের মনে। এদিন ঘরের মাঠ চেজে স্টেডিয়ামে বল দখল ও আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছে মিয়ামি। যদিও মেসি, সুয়ারেজদের আক্রমণ ছিল ধারহীন; গোলের জন্য যথেষ্ট ছিল না। একইসঙ্গে স্বাগতিকদের রক্ষণও ছিল বেশ ছন্নছাড়া। হ্যাভিয়ের মাশচেরানোর দলকে তার খেসারত দিতে হয়েছে তিন গোল হজম করে। মৌসুমে প্রথমবারের মতো কোনো লিগ ম্যাচে গোল করতে পারল না মিয়ামি। গোলহীন ম্যাচে মেসির প্রাপ্তি বলতে ৭৫ মিনিটে একটি হলুদ কার্ড ।
মিয়ামির বিপক্ষে ম্যাচের ৪৩ মিনিটে লুইস মুরিয়েলের গোলে এগিয়ে যায় অরলান্ডো। বিরতি থেকে ফেরার ৮ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ান মার্কো পাসালিচ। যোগ করা সময়ে মিয়ামির জালে শেষ পেরেক ঠুঁকে দেন ডাগুর থরহালসন। গত দুবছরের মধ্যে রাজ্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে এটা অরলান্ডোর প্রথম জয়। টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকা দলটি ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে উঠে এসেছে; অন্যদিকে ছয়ে নেমে গেছে মিয়ামি। ১৩ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ২২ পয়েন্ট।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

