টি-টোয়েন্টি মানেই রোমাঞ্চ আর উন্মাদনায় ভরপুর। আর কোনো ম্যাচ যদি হয় টাই, তাহলে তো কথাই নেই। স্নায়ুচাপ আর উত্তেজনার কমতি থাকে না। আর কোনো ম্যাচে যদি তিন-তিনবার টাই হয়, ওই ম্যাচকে কী বলা যেতে পারেÑমহারোমাঞ্চকর বা মহানাটকীয় লড়াই। তেমন অবিশ্বাস্য কিছুরই দেখা মিলল নেদারল্যান্ডস-নেপাল ম্যাচে। গ্লাসগোর ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে নির্ধারিত ২০ ওভারের ম্যাচটি হয়েছিল টাই। পরে দুবার সুপার ওভারেও টাই হয় ম্যাচ। শেষে তৃতীয় সুপার ওভারে দেখা মেলে জয়ের। তাতে শেষ হাসি হাসে নেদারল্যান্ডস। পুরুষদের পেশাদার ক্রিকেটে এই প্রথম ঘটল এমনটা।
নির্ধারিত ২০ ওভারে নেদারল্যান্ডস সংগ্রহ করে ১৫২ রান। তেজা নিদারামানু করেন ৩৫ রান। বিক্রমজিত সিংয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। শেষদিকে সাকিব জুলফিকার অপরাজিত থেকে যান ২৫ রানে। নেপালের তারকা লেগ স্পিনার সান্দিপ লামিচানে ৩ উইকেট নেন ১৮ রান খরচ করে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপাল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তোলে। নেপালের ওপেনার কুশাল ভুর্তেল দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৩৪ রান। আর অধিনায়ক রোহিত পাউড়েল ৩৫ বল খেলে উপহার দেন ৪৮ রানের দারুণ এক ইনিংস।
টাই হওয়া ম্যাচে প্রথম সুপার ওভারে ১ উইকেটে নেপাল ১৯ করলে জবাবে নেদারল্যান্ডসও কোনো উইকেট না হারিয়ে করে ১৯। ম্যাচে থেকে যায় সমতা। দ্বিতীয় সুপার ওভারে এক উইকেটে ডাচরা ১৭ রান তুললে নেপালি ক্রিকেটাররা বিনা উইকেটে সংগ্রহ করে ১৭ রান। এবারও ম্যাচ থেকে যায় অমীমাংসিত। হ্যাটট্রিক টাই শেষে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় তৃতীয় সুপার ওভারে। এবার প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে নেপাল কোনো রানই নিতে পারেনি। জবাবে নেদারল্যান্ডস প্রথম বলেই ছক্কা মেরে নোঙর করে জয়ের বন্দরে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নেদারল্যান্ডস : ১৫২/৭, ২০ ওভার (তেজা ৩৫, বিক্রমজিত ৩০, জুলফিকার ২৫*; লামিচানে ৩/১৮ ও নন্দন ২/১৮)।
নেপাল : ১৫২/৮, ২০ ওভার (রোহিত ৪৮, কুশাল ৩৪; ডরাম ৩/১৪ ও বিক্রমজিত ২/৩০)।
ফল : ম্যাচ টাই (তৃতীয় সুপার ওভারে নেদারল্যান্ডস জয়ী)।
ম্যাচসেরা : জ্যাক লায়ন-ক্যাশে (নেদারল্যান্ডস)।
প্রথম সুপার ওভার
নেপাল : ১৯/১
নেদারল্যান্ডস : ১৯/০
দ্বিতীয় সুপার ওভার
নেদারল্যান্ডস : ১৭/১
নেপাল : ১৭/০
তৃতীয় সুপার ওভার
নেপাল : ০
নেদারল্যান্ডস : ৬/০
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

