এএফসি এশিয়ান কাপের তৃতীয় রাউন্ডের বাছাইপর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচটিতে জয় না পেলেও অন্তত ২-২ গোলে ড্র করতে পারত তারা। কিন্তু বাজে রেফারিংয়ের শিকার হয়েছে স্বাগতিকরা। বক্সের মধ্যে পরিষ্কার ফাউলের সিদ্ধান্ত না দেওয়া, হামজা চৌধুরীকে সিঙ্গাপুরের খেলোয়াড়দের বারবার স্লেজিং, ম্যাচে খেলোয়াড় পরিবর্তন নিয়ে ঝামেলা ও সময়ক্ষেপণসহ রেফারিদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ বাংলাদেশের।
ভুটান থেকে আগত ম্যাচ কমিশনার মিন্দু দর্জির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগ দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন টিম ম্যানেজার আমের খান। তিনি আমার দেশকে জানান, ফিলিপাইনের যে চার রেফারি সিঙ্গাপুর ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত না দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বক্সের মধ্যে ফাহিমকে ফাউল করেন সিঙ্গাপুরের খেলোয়াড়। কিন্তু বাংলাদেশ আবেদন করলেও পেনাল্টি দেননি রেফারি। খেলোয়াড় বদলের সময়ও ঝামেলা হয়েছে।
এ নিয়ে রেফারির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান আমের খান। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন দুজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন তারাও (সিঙ্গাপুর) দুজন খেলোয়াড় নিয়ে আসে। পরে কোচ বলেন, সাদকে না বসিয়ে তপুকে বসাব। তাই সাদের নাম কেটে করা হয় তপু। তখন সে (লাইন্সম্যান) বলছে যে, তোমরা এরই মধ্যে খেলোয়াড় পরিবর্তন করে ফেলেছ। আমি বললাম, কোথায় পরিবর্তন করলাম আমরা। আমাদের খেলোয়াড় পরিবর্তন না করে তাদের (সিঙ্গাপুর) খেলোয়াড় নিয়েছ কেন? যে আগে আসছে, তাদের নাও। এরপর সে বলছে, তোমরা একজনকে পরিবর্তন করতে পারব। আমি বললাম, কেন আমরা একজন পরিবর্তন করব। কারণ, আমার উইন্ডো আছে দুটি। আমি দুজনকে ব্যবহার করব। আর আমার হাতে একজন প্লেয়ার থাকবে। আমরা লাস্ট উইন্ডোতে পরিবর্তন করব। সে বলছে-না, এমন না হলে আগে যেটা লিখেছ, সেটা করতে হবে। দূর থেকে রেফারি এসে বললেন যে, ওরা বলছে তোমাকে ঠিকই বলেছে। তখনো আমার কোনো প্লেয়ার তো বের হয়নি।’
খেলোয়াড় পরিবর্তন ছাড়াও সময়ক্ষেপণ করে বাংলাদেশের খেলার গতি শ্লথ করে দেন রেফারি। সে সময় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন হামজা। বাজে রেফারিং নিয়ে এএফসিতে অভিযোগ জানানোর চিন্তা-ভাবনা করছে বাফুফে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
