এই লড়াই ঘিরে উন্মাদনার কমতি ছিলো না। টসের শেষে হাত না মিলিয়ে সেই উন্মাদনা তুঙ্গে তুলে দিলেন সূর্যকুমার যাদব ও সালমান আলী আগা। কিন্তু ম্যাচ হলো নিরুত্তাপ। তাতে হেসেখেলে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সুপার ফোরের দ্বারপ্রান্তে পা রাখল ভারত। আজ সংযুক্ত আরব আমিরাত ওমানকে হারালেই নিশ্চিত ভারতের উত্তরণ।
লক্ষ্য সহজ। সেটা তাড়ায় নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা। একদিক দিয়ে শুভমান গিলকে (১০) ফেরান সাইম আইয়ুব। অভিষেকের ঝড় থামে চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে। অতিমাত্রায় আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে সাইমের বলে লং অফে ধরা পড়েন ফাহিম আশরাফের হাতে। আউট হওয়ার আগে করেন ১৩ বলে ৩১ রান। পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৬১ রান তোলে ভারত।
এরপর তিলক ভার্মা ও সূর্যকুমার যাদব ১০ ওভারে আর কোনো উইকেট হারাতে দেননি। ভারত তোলে ৮৮। এরপর তিলক ৩১ রান করে বিদায় নিলেও ভারতের জয় পেতে সমস্যা হয়নি। শিবম দুবেকে (১০*) নিয়ে দলনেতা সূর্যকুমার (৪৭*) দলকে জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করার।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। হার্দিক পান্ডিয়ার লেংথ ডেলিভারি পয়েন্টের উপর দিয়ে খেলতে গিয়ে জসপ্রিত বুমরাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাইম ফেরেন গোল্ডেন ডাক মেরে। পরের ওভারে ফের ভারতের আঘাত। জসপ্রিত বুমরাহ বোলিংয়ে এসেই ফেরান মোহাম্মদ হারিসকে। ৫ বলে ৩ রান করেন হারিস। ২ ওভারে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন ফখর জামান ও সাহিবজাদা ফারহান। তাতে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পাকিস্তান তোলে ২ উইকেটে ৪২।
এরপরই শুরু হয় ধ্বস। তাতে পঞ্চাশের আগেই ৪ উইকেট নেই পাকিস্তানের। অক্ষর প্যাটেলের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে তিলক ভার্মার হাতে ক্যাচ দেন ৩ চারে ১৫ বরে ১৭ রান করা ফখর। এরপর ফিরে যান সালমানও (৩)। হাসান নাওয়াজ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ফিরেছেন টানা দুই বলে। ৪৪ বলে ৪০ রানে আউট হন ফারহান। শেষের দিকে পাকিস্তানের রান একশ পার করেছেন শাহিন আফ্রিদি (৩৩*)। তাতেই আসে লড়াকু পুঁজি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১২৭/৯ (ফারহান ৪০, আফ্রিদি ৩৩*, ফখর ১৭; কুলদীপ ৩/১৮, অক্ষর ২/১৮, বুমরা ২/২৮, বরুণ ১/২৪, পান্ডিয়া ১/৩৪)।
ভারত : ১৫.৫ ওভারে ১৩১/৩ ( সূর্যকুমার ৪৭*, অভিষেক ৩১, তিলক ৩১, সাইম ৩/৩৫)
ফল : ভারত ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : কুলদীপ যাদব
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

